০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঞ্ছারামপুরের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী শিল্পপতি মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদার।। জনসাধারণের উচ্ছাস প্রকাশ

বাঞ্ছারামপুরের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী শিল্পপতি মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদার।। জনসাধারণের উচ্ছাস প্রকাশ

শাহীন আহমেদ সাজু, বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি :

৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে সাধারণ মানুষ। নতুন বাংলাদেশে মানুষের চাওয়া বেড়েছে নতুনত্বে। নতুনত্বের মাধ্যমে ঢেলে সাজাতে চায় আগামীর বাংলাদেশকে। এদিকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেই নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে জনগণের অধিকতর চাওয়া শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী,সমাজ সেবক, মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার। গ্রাম, হাট-বাজার, দোকানপাট ইত্যাদিতে তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। সমাজ ও স্থানীয় জনসাধারণের কাছে তিনি অত্যন্ত পছন্দের মানুষ।

মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার একজন সফল উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি। তিনি সায়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে দুটি গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই গ্রুপের সায়ান ফ্যাশন,টেঙ্গন গার্মেন্টস লিমিটেড, সায়ান কালেকশন লিমিটেড, ও এসকে ট্রিমস—দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দেশের মধ্যে তিনি পরিচিত।

কেবল সফল ব্যবসায়ী হিসেবেই নয়, আবু কায়েস সিকদার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সামাজিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিকাশে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর দাদা হাজী মহব্বত আলী সিকদার ১৯৪৯ সালে মনাইখালীt গ্রামে প্রথম পাকা মসজিদ নির্মাণ করেন, যা আবু কায়েস সিকদার পরবর্তীতে আধুনিক দ্বিতল ভবন হিসাবে পুনঃনির্মাণ করেন। মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী বর্তমানে এলাকায় একটি অপূর্ব স্থাপত্য হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যা তার ঐতিহ্য এবং রুচিশীলতার পরিচয় বহন করে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ফয়জুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন হাফেজিয়া মাদ্রাসা, এবং গ্রামের ঈদগাহ মাঠ পুনর্নির্মাণসহ বহু সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি ১৯৭৬ সালের ৩ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাইনখালী গ্রামের এক সুশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মোহাম্মদ আবদুল করিম সিকদার এবং মাতা মোসাম্মদ ফয়জুন্নাহার সিকদার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বড় ভাই মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম সিকদার বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও আয়নব্যয়ন কর্মকর্তা। দ্বিতীয় ভাই আবু কাওসার সিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। বড় বোন উম্মে সালমা ইডেন কলেজ থেকে হোম ইকোনোমিকসে পড়াশোনা করেছেন, আর ছোট বোন আনারকলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর ভগ্নিপতি প্রফেসর ড. সামসুদ্দিন ২ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি বিভাগের চেয়ারম্যান একবার লেদার টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।

পারিবারিকভাবে সিকদার পরিবারটির সামাজিক মর্যাদা ও ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। দাদা হাজী মহব্বত আলী সিকদার এবং নানা জীবন মিয়া নিজেদের সময়ে ছিলেন এলাকার মর্যাদাবান ব্যক্তি।

বাবার চাকরির সুবাদে নরসিংদীর পলাশে তাঁর বেড়ে ওঠা। সেখানকার ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ‘ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এসোসিয়েশন’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিজের মেধা, দক্ষতা ও অদম্য পরিশ্রমের মাধ্যমে আবু কায়েস সিকদার একজন সফল শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে যেমন স্বীকৃতি পেয়েছেন, তেমনি মানবিক গুণাবলিতে হয়ে উঠেছেন বাঞ্ছারামপুরবাসীর আপনজন। তাঁর স্বপ্ন—একটি সুন্দর, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাঞ্ছারামপুর। ঈদ, পূজা, পার্বণ কিংবা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের পাশে থেকে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বাঞ্ছারামপুরের কড়িকান্দি থেকে মরিচাকান্দি,তেজখালী থেকে পূর্বহাটি—পুরো উপজেলা তাঁকে বিনয়ী, সজ্জন ও উদার হৃদয়ের মানুষ হিসেবে চিনে জানে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক নাম।

মানুষ ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটির নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়নযাত্রা আরও বেগবান হবে—এমন প্রত্যাশাই আজ তাঁর প্রিয়জন ও শুভানুধ্যায়ীদের।

আব্দুল করিম বলেন, ভালো মানুষের নির্বাচনে আসলে। সাধারণ মানুষের উন্নয়নে কাজ করবে। কায়েস সিকদার ভালো মানুষ এবং ভালো পরিবারের লোক। তিনি সমাজের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদী।

রূপসদী এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, এসব শিক্ষিত লোক সমাজে নির্বাচিত এমপি হলে রাস্তাঘাট উন্নয়নের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটাবে। তারা আমাদের এলাকার ভালো বংশের লোক।
তাদের মত লোক কে আমরা নির্বাচিত করে জয় লাভ করবো।

আয়বপুর ইউনিয়নের রশিদ সদাগর বলেন,তার বাপ দাদারা অত্যন্ত ভালো মানুষ। যদি নির্বাচনে আসে তাহলে মানুষ ভোট দিবে। মানুষের কল্যাণের পাশে কাজ করবে।

মোহাম্মদ আবু কায়ের শিকদার জানান,আমি নির্বাচনে আসতে চাই না। কিন্তু ইতোঃমধ্যে আমার এলাকার মানুষ আমাকে নির্বাচনে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন। জনগণের চাওয়াতে আমি আরো ব্যাপক পরিসরে বাঞ্ছারামপুর বাসীর জন্য কাজ করতে নির্বাচনে আসবো।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

বাঞ্ছারামপুরের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী শিল্পপতি মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদার।। জনসাধারণের উচ্ছাস প্রকাশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বাঞ্ছারামপুরের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী শিল্পপতি মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদার।। জনসাধারণের উচ্ছাস প্রকাশ

শাহীন আহমেদ সাজু, বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি :

৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে সাধারণ মানুষ। নতুন বাংলাদেশে মানুষের চাওয়া বেড়েছে নতুনত্বে। নতুনত্বের মাধ্যমে ঢেলে সাজাতে চায় আগামীর বাংলাদেশকে। এদিকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেই নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে জনগণের অধিকতর চাওয়া শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী,সমাজ সেবক, মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার। গ্রাম, হাট-বাজার, দোকানপাট ইত্যাদিতে তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। সমাজ ও স্থানীয় জনসাধারণের কাছে তিনি অত্যন্ত পছন্দের মানুষ।

মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার একজন সফল উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি। তিনি সায়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে দুটি গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই গ্রুপের সায়ান ফ্যাশন,টেঙ্গন গার্মেন্টস লিমিটেড, সায়ান কালেকশন লিমিটেড, ও এসকে ট্রিমস—দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দেশের মধ্যে তিনি পরিচিত।

কেবল সফল ব্যবসায়ী হিসেবেই নয়, আবু কায়েস সিকদার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সামাজিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিকাশে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর দাদা হাজী মহব্বত আলী সিকদার ১৯৪৯ সালে মনাইখালীt গ্রামে প্রথম পাকা মসজিদ নির্মাণ করেন, যা আবু কায়েস সিকদার পরবর্তীতে আধুনিক দ্বিতল ভবন হিসাবে পুনঃনির্মাণ করেন। মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী বর্তমানে এলাকায় একটি অপূর্ব স্থাপত্য হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যা তার ঐতিহ্য এবং রুচিশীলতার পরিচয় বহন করে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ফয়জুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন হাফেজিয়া মাদ্রাসা, এবং গ্রামের ঈদগাহ মাঠ পুনর্নির্মাণসহ বহু সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

তিনি ১৯৭৬ সালের ৩ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাইনখালী গ্রামের এক সুশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মোহাম্মদ আবদুল করিম সিকদার এবং মাতা মোসাম্মদ ফয়জুন্নাহার সিকদার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বড় ভাই মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম সিকদার বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও আয়নব্যয়ন কর্মকর্তা। দ্বিতীয় ভাই আবু কাওসার সিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। বড় বোন উম্মে সালমা ইডেন কলেজ থেকে হোম ইকোনোমিকসে পড়াশোনা করেছেন, আর ছোট বোন আনারকলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর ভগ্নিপতি প্রফেসর ড. সামসুদ্দিন ২ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি বিভাগের চেয়ারম্যান একবার লেদার টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।

পারিবারিকভাবে সিকদার পরিবারটির সামাজিক মর্যাদা ও ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। দাদা হাজী মহব্বত আলী সিকদার এবং নানা জীবন মিয়া নিজেদের সময়ে ছিলেন এলাকার মর্যাদাবান ব্যক্তি।

বাবার চাকরির সুবাদে নরসিংদীর পলাশে তাঁর বেড়ে ওঠা। সেখানকার ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ‘ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এসোসিয়েশন’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিজের মেধা, দক্ষতা ও অদম্য পরিশ্রমের মাধ্যমে আবু কায়েস সিকদার একজন সফল শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে যেমন স্বীকৃতি পেয়েছেন, তেমনি মানবিক গুণাবলিতে হয়ে উঠেছেন বাঞ্ছারামপুরবাসীর আপনজন। তাঁর স্বপ্ন—একটি সুন্দর, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাঞ্ছারামপুর। ঈদ, পূজা, পার্বণ কিংবা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের পাশে থেকে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বাঞ্ছারামপুরের কড়িকান্দি থেকে মরিচাকান্দি,তেজখালী থেকে পূর্বহাটি—পুরো উপজেলা তাঁকে বিনয়ী, সজ্জন ও উদার হৃদয়ের মানুষ হিসেবে চিনে জানে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক নাম।

মানুষ ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটির নেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়নযাত্রা আরও বেগবান হবে—এমন প্রত্যাশাই আজ তাঁর প্রিয়জন ও শুভানুধ্যায়ীদের।

আব্দুল করিম বলেন, ভালো মানুষের নির্বাচনে আসলে। সাধারণ মানুষের উন্নয়নে কাজ করবে। কায়েস সিকদার ভালো মানুষ এবং ভালো পরিবারের লোক। তিনি সমাজের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদী।

রূপসদী এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, এসব শিক্ষিত লোক সমাজে নির্বাচিত এমপি হলে রাস্তাঘাট উন্নয়নের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটাবে। তারা আমাদের এলাকার ভালো বংশের লোক।
তাদের মত লোক কে আমরা নির্বাচিত করে জয় লাভ করবো।

আয়বপুর ইউনিয়নের রশিদ সদাগর বলেন,তার বাপ দাদারা অত্যন্ত ভালো মানুষ। যদি নির্বাচনে আসে তাহলে মানুষ ভোট দিবে। মানুষের কল্যাণের পাশে কাজ করবে।

মোহাম্মদ আবু কায়ের শিকদার জানান,আমি নির্বাচনে আসতে চাই না। কিন্তু ইতোঃমধ্যে আমার এলাকার মানুষ আমাকে নির্বাচনে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন। জনগণের চাওয়াতে আমি আরো ব্যাপক পরিসরে বাঞ্ছারামপুর বাসীর জন্য কাজ করতে নির্বাচনে আসবো।