০৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাত ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ বাধ্যতামূলক: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি

রাত ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ বাধ্যতামূলক: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি

আজাদ নিউজ অনলাইন ডেষ্ক:

শব্দদূষণ কমিয়ে নগর ও আবাসিক পরিবেশকে বাসযোগ্য রাখতে সরকার শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন করেছে।

নতুন বিধিমালায় প্রথমবারের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে শব্দসীমা সর্বোচ্চ ৯০ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং রাত ৯টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ বিধিমালা জারি করে।

২০০৬ সালের পুরোনো বিধিমালার নানা সীমাবদ্ধতা দূর করে বাস্তব পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এনে এ হালনাগাদ করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট পদমর্যাদা ও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে শব্দদূষণজনিত অপরাধে তাৎক্ষণিক জরিমানা আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগকে আরও কার্যকর করবে।

একই সঙ্গে হর্ন আমদানি, উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির ওপর কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
অনুমতি ছাড়া জনপরিসরে লাউডস্পিকার বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার নিষিদ্ধ, বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ
নীরব এলাকায় পটকা, আতশবাজি ও হর্ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, রাত্রিকালে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে হবে,শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন বিধিমালা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

রাত ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ বাধ্যতামূলক: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

রাত ৯টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ বাধ্যতামূলক: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি

আজাদ নিউজ অনলাইন ডেষ্ক:

শব্দদূষণ কমিয়ে নগর ও আবাসিক পরিবেশকে বাসযোগ্য রাখতে সরকার শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন করেছে।

নতুন বিধিমালায় প্রথমবারের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে শব্দসীমা সর্বোচ্চ ৯০ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং রাত ৯টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ বিধিমালা জারি করে।

২০০৬ সালের পুরোনো বিধিমালার নানা সীমাবদ্ধতা দূর করে বাস্তব পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এনে এ হালনাগাদ করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট পদমর্যাদা ও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে শব্দদূষণজনিত অপরাধে তাৎক্ষণিক জরিমানা আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগকে আরও কার্যকর করবে।

একই সঙ্গে হর্ন আমদানি, উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির ওপর কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
অনুমতি ছাড়া জনপরিসরে লাউডস্পিকার বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার নিষিদ্ধ, বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ
নীরব এলাকায় পটকা, আতশবাজি ও হর্ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, রাত্রিকালে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে হবে,শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন বিধিমালা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।