০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলেহ উদ্দিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত!

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলেহ উদ্দিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত!

মোঃ আবুল কালাম আজাদ!

কুমিল্লার হোমনায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিনের।

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় চান্দেরচর নয়াকান্দি ঈদগাহ ময়দানে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে হোমনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ মোফাচ্ছের এর নেতৃত্বে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

মো. মুসলেহ উদ্দিন ছিলেন শুধু মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সন্তানই নন, ছিলেন একজন দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজের আলোকদূত। তাঁর মৃত্যুতে চান্দেরচরসহ আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

১৯৭২ সালে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে শিক্ষকতাকেই বেছে নেন তিনি। আলীচর চাঁন মিয়া মোল্লা ডিগ্রি কলেজে ইংরেজি প্রভাষক হিসেবে এবং পরে ঘোড়াশাল হাজী মুকছদ আলী ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন তিনি। ইংরেজি সাহিত্য ও দর্শনের পাঠদানে তিনি ছিলেন শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার উৎস।

মো. মুসলেহ উদ্দিনের জীবন ছিল দর্শন, নীতি ও আধ্যাত্মিকতায় পরিপূর্ণ। তিনি ছিলেন সত্যনিষ্ঠ, ন্যায়পরায়ণ ও সমাজের প্রজ্ঞার বাতিঘর। তাঁর কর্ম ও শিক্ষা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে—এমন বিশ্বাসই রাখছেন এলাকাবাসী।

ইতিহাসে তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা বা শিক্ষক হিসেবেই নয়, একজন দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক মানুষ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলেহ উদ্দিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত!

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলেহ উদ্দিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত!

মোঃ আবুল কালাম আজাদ!

কুমিল্লার হোমনায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিনের।

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় চান্দেরচর নয়াকান্দি ঈদগাহ ময়দানে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে হোমনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ মোফাচ্ছের এর নেতৃত্বে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

মো. মুসলেহ উদ্দিন ছিলেন শুধু মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সন্তানই নন, ছিলেন একজন দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজের আলোকদূত। তাঁর মৃত্যুতে চান্দেরচরসহ আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

১৯৭২ সালে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে শিক্ষকতাকেই বেছে নেন তিনি। আলীচর চাঁন মিয়া মোল্লা ডিগ্রি কলেজে ইংরেজি প্রভাষক হিসেবে এবং পরে ঘোড়াশাল হাজী মুকছদ আলী ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন তিনি। ইংরেজি সাহিত্য ও দর্শনের পাঠদানে তিনি ছিলেন শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার উৎস।

মো. মুসলেহ উদ্দিনের জীবন ছিল দর্শন, নীতি ও আধ্যাত্মিকতায় পরিপূর্ণ। তিনি ছিলেন সত্যনিষ্ঠ, ন্যায়পরায়ণ ও সমাজের প্রজ্ঞার বাতিঘর। তাঁর কর্ম ও শিক্ষা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে—এমন বিশ্বাসই রাখছেন এলাকাবাসী।

ইতিহাসে তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা বা শিক্ষক হিসেবেই নয়, একজন দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক মানুষ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।