০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোমনার বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা পেল আলীম মাদ্রাসার স্বীকৃতি!

  • আজাদ নিউজ ২৪ ডেক্স
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৯ জন পড়েছেন

হোমনার বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা পেল আলীম মাদ্রাসার স্বীকৃতি!

এলাকায় আনন্দের বন্যা

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা অবশেষে আলীম মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে গত ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে আনন্দের জোয়ার।

মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে। বাবরকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুর কাদির প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথমে ১৫ শতাংশ জমি দান করেন। বর্তমানে মাদ্রাসার আয়তন দাঁড়িয়েছে ১.০৫ একর। প্রতিষ্ঠাতা সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি নিজেই।

পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যুর পর জামাতা মাওলানা জাহেদুল হক দীর্ঘদিন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন। তাঁর সময়ে ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি এতিমখানা হিসেবে ক্যাপিটাল গ্রান্ট লাভ করে।

পরে মাওলানা জাহেদুল হকের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মাওলানা সাইদুল হক ২০০০ সালে সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর উদ্যোগে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি দাখিল পরীক্ষার অনুমতি লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি।

তৎকালীন সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এম.কে. আনোয়ারের প্রচেষ্টায় ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি ভবন নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে দাখিল মাদ্রাসার স্বীকৃতি লাভ করে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্থানীয় জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং মানসম্মত পাঠদানের ফলে প্রতি বছরই শতভাগ পাশের সাফল্য ধরে রেখেছে এ প্রতিষ্ঠান।

এবার আলীম মাদ্রাসার মর্যাদা অর্জনের পর এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মনে করছেন, এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই উন্নতমানের ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে।

এ উপলক্ষে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বক্তারা বলেন, “এটি হোমনা উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষানুরাগীরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

হোমনার বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা পেল আলীম মাদ্রাসার স্বীকৃতি!

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হোমনার বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা পেল আলীম মাদ্রাসার স্বীকৃতি!

এলাকায় আনন্দের বন্যা

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা অবশেষে আলীম মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে গত ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে আসে আনন্দের জোয়ার।

মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে। বাবরকান্দি গ্রামের মাওলানা আবদুর কাদির প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রথমে ১৫ শতাংশ জমি দান করেন। বর্তমানে মাদ্রাসার আয়তন দাঁড়িয়েছে ১.০৫ একর। প্রতিষ্ঠাতা সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি নিজেই।

পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যুর পর জামাতা মাওলানা জাহেদুল হক দীর্ঘদিন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন। তাঁর সময়ে ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি এতিমখানা হিসেবে ক্যাপিটাল গ্রান্ট লাভ করে।

পরে মাওলানা জাহেদুল হকের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মাওলানা সাইদুল হক ২০০০ সালে সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর উদ্যোগে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি দাখিল পরীক্ষার অনুমতি লাভ করে প্রতিষ্ঠানটি।

তৎকালীন সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এম.কে. আনোয়ারের প্রচেষ্টায় ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি ভবন নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে দাখিল মাদ্রাসার স্বীকৃতি লাভ করে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্থানীয় জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং মানসম্মত পাঠদানের ফলে প্রতি বছরই শতভাগ পাশের সাফল্য ধরে রেখেছে এ প্রতিষ্ঠান।

এবার আলীম মাদ্রাসার মর্যাদা অর্জনের পর এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মনে করছেন, এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই উন্নতমানের ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে।

এ উপলক্ষে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বক্তারা বলেন, “এটি হোমনা উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষানুরাগীরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।