০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন এমপিও নীতিমালা: শিক্ষকরা আর অন্য আর্থিক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না

নতুন এমপিও নীতিমালা: শিক্ষকরা আর অন্য আর্থিক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না

আজাদ নিউজ অনলাইন ডেষ্ক:

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীরা আর অন্য আর্থিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা একাধিক চাকরি বা অন্য আর্থিক লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকলে সরকার তাদের এমপিও বাতিলসহ বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

নীতিমালার ধারা ১১.১৭ অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারী সাংবাদিকতা, আইন পেশা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাসহ যে কোনো আর্থিক লাভজনক পদে যুক্ত থাকতে পারবেন না।

এখানে ‘আর্থিক লাভজনক’ পদ বলতে সরকার প্রদত্ত বেতন/ভাতা/সম্মানী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মের বিনিময়ে প্রদত্ত অর্থ বোঝানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের একাধিক আর্থিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

নতুন এমপিও নীতিমালা: শিক্ষকরা আর অন্য আর্থিক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন এমপিও নীতিমালা: শিক্ষকরা আর অন্য আর্থিক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না

আজাদ নিউজ অনলাইন ডেষ্ক:

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীরা আর অন্য আর্থিক লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকতে পারবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা একাধিক চাকরি বা অন্য আর্থিক লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকলে সরকার তাদের এমপিও বাতিলসহ বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

নীতিমালার ধারা ১১.১৭ অনুযায়ী, শিক্ষক-কর্মচারী সাংবাদিকতা, আইন পেশা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাসহ যে কোনো আর্থিক লাভজনক পদে যুক্ত থাকতে পারবেন না।

এখানে ‘আর্থিক লাভজনক’ পদ বলতে সরকার প্রদত্ত বেতন/ভাতা/সম্মানী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মের বিনিময়ে প্রদত্ত অর্থ বোঝানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের একাধিক আর্থিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।