০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে সাপে কেটে বৃদ্ধের মৃত্যু!

ঝিনাইদহে সাপে কেটে বৃদ্ধের মৃত্যু!

মো. সুরুজ, ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের মামুনশিয়া গ্রামে সাপে কেটে মনিরউদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত বাবুর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার গভীর রাতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় ওঝা হযরত আলীর কাছে নিয়ে গেলে ঝাড়ফুঁক করে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। এসময় রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি।

কিন্তু ভোরে মনিরউদ্দিনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হলে সকাল ৭টার দিকে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং দ্রুত এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হয়। তবে সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ওঝা হযরত আলী বলেন, “আমি এর আগে অনেক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছি। ওই রোগীও পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছিল। পরে তার মৃত্যু হয়েছে শুনেছি। কেন মারা গেছে, তা একমাত্র আল্লাহই জানেন।”

চিকিৎসকদের মতে, সাপে দংশনের পর ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এ ধরনের ঘটনায় দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

ঝিনাইদহে সাপে কেটে বৃদ্ধের মৃত্যু!

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহে সাপে কেটে বৃদ্ধের মৃত্যু!

মো. সুরুজ, ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের মামুনশিয়া গ্রামে সাপে কেটে মনিরউদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত বাবুর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রবিবার গভীর রাতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় ওঝা হযরত আলীর কাছে নিয়ে গেলে ঝাড়ফুঁক করে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। এসময় রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি।

কিন্তু ভোরে মনিরউদ্দিনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হলে সকাল ৭টার দিকে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং দ্রুত এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হয়। তবে সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ওঝা হযরত আলী বলেন, “আমি এর আগে অনেক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছি। ওই রোগীও পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছিল। পরে তার মৃত্যু হয়েছে শুনেছি। কেন মারা গেছে, তা একমাত্র আল্লাহই জানেন।”

চিকিৎসকদের মতে, সাপে দংশনের পর ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। এ ধরনের ঘটনায় দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।