১১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

এস.এম. লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার লাখিরপাড় গ্রামের আমির হামজা (৪) নামে এক শিশু বাড়ির পাশে মৎস্য ঘের পাড়ে মায়ের সাথে ছাগল আনতে গিয়ে ভীমরুলের কামড়ে মৃত্যুবরন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত শিশুটি গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে আমির হামজা তার মায়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি মৎস্য ঘের থেকে ছাগল আনতে যায়। এ সময় হঠাৎ একঝাঁক ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ করে। ভিমরুলের কামড়ে গুরুতর আহত হলে মা ও শিশুর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মনে হওয়ায় স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে বিকেলের দিকে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটে। পরে দ্রুত আবারও তাকে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ শহিদ জিয়া ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠান

গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

এস.এম. লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার লাখিরপাড় গ্রামের আমির হামজা (৪) নামে এক শিশু বাড়ির পাশে মৎস্য ঘের পাড়ে মায়ের সাথে ছাগল আনতে গিয়ে ভীমরুলের কামড়ে মৃত্যুবরন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত শিশুটি গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে আমির হামজা তার মায়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি মৎস্য ঘের থেকে ছাগল আনতে যায়। এ সময় হঠাৎ একঝাঁক ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ করে। ভিমরুলের কামড়ে গুরুতর আহত হলে মা ও শিশুর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মনে হওয়ায় স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে বিকেলের দিকে তার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটে। পরে দ্রুত আবারও তাকে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।