১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নে প্রতিযোগিতামূলক পাহাড় কেটে বিক্রি করছে মাটি

  • নুরুল আমিন
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪৭ জন পড়েছেন

লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নে প্রতিযোগিতামূলক
পাহাড় কেটে বিক্রি করছে মাটি।

নুরুল আমিন লোহাগাড়া( চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার পরও থামছে না পাহাড় খেকোদের তৎপরতা। এবার এক হিন্দু পরিবার গড়ে তুলেছেন পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতা।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সরেজমিন উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের( ১নং) ওয়ার্ডের মুকুন্দ পাড়া নিবাসী বাবুল নন্দীর পুত্র সৈকত নন্দি( নয়ন),
হেমন্দ্র লাল নন্দীর পুত্র কাঞ্চন নন্দী,ও হেমন্দ্র লালের আর এক পুত্র চয়ন নন্দী,ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। মুকুন্দ পাড়া এলাকার মন্দিরের উত্তর পাশে থাকা একটি পাহাড় রাতের আঁধারে পাহাড়টির অর্ধেক কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। প্রায় ২০ ফুট উচ্চতার ও ১০০ফুট দৈর্ঘ্যের পাহাড়টির বেশিরভাগ অংশ এক্সকেভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। কেটে সাবাড় করা হয়েছে পাহাড়ের শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পাহাড়টি স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত নন্দী নয়ন, কাঞ্চন নন্দী, ও চয়ন নন্দীর মালিকানাধীন। দীর্ঘ ১ সপ্তাহ ধরে রাতের আঁধারে এক্সকেভেটর দিয়ে পাহাড়টি কেটে ৪-৫টি ডাম্পার দিয়ে মাটি নিয়ে যাচ্ছে মাটিখেকোরা।

এসব মাটি গাড়িপ্রতি স্থান ভেদে ১ হাজার ৫শ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় বলে জানা গেছে। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে মাটিখেকোদের তাণ্ডব। এরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না।

উঁচু আকারের পাহাড়টি কেটে সমতল করা হয়েছে, সেখানে পাকাঘর নির্মাণের পাকা ঘর নির্মাণ করার কথা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

এতে লোহাগাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন, পাহাড় ও বালু খেকোদের ব্যাপারে বিন্দুমাত্রও ছাড় নেই। এদের ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। পাহাড় কাটার স্থানটি সরেজমিন পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নে প্রতিযোগিতামূলক পাহাড় কেটে বিক্রি করছে মাটি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নে প্রতিযোগিতামূলক
পাহাড় কেটে বিক্রি করছে মাটি।

নুরুল আমিন লোহাগাড়া( চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার পরও থামছে না পাহাড় খেকোদের তৎপরতা। এবার এক হিন্দু পরিবার গড়ে তুলেছেন পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতা।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সরেজমিন উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের( ১নং) ওয়ার্ডের মুকুন্দ পাড়া নিবাসী বাবুল নন্দীর পুত্র সৈকত নন্দি( নয়ন),
হেমন্দ্র লাল নন্দীর পুত্র কাঞ্চন নন্দী,ও হেমন্দ্র লালের আর এক পুত্র চয়ন নন্দী,ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। মুকুন্দ পাড়া এলাকার মন্দিরের উত্তর পাশে থাকা একটি পাহাড় রাতের আঁধারে পাহাড়টির অর্ধেক কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। প্রায় ২০ ফুট উচ্চতার ও ১০০ফুট দৈর্ঘ্যের পাহাড়টির বেশিরভাগ অংশ এক্সকেভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। কেটে সাবাড় করা হয়েছে পাহাড়ের শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পাহাড়টি স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত নন্দী নয়ন, কাঞ্চন নন্দী, ও চয়ন নন্দীর মালিকানাধীন। দীর্ঘ ১ সপ্তাহ ধরে রাতের আঁধারে এক্সকেভেটর দিয়ে পাহাড়টি কেটে ৪-৫টি ডাম্পার দিয়ে মাটি নিয়ে যাচ্ছে মাটিখেকোরা।

এসব মাটি গাড়িপ্রতি স্থান ভেদে ১ হাজার ৫শ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় বলে জানা গেছে। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে মাটিখেকোদের তাণ্ডব। এরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না।

উঁচু আকারের পাহাড়টি কেটে সমতল করা হয়েছে, সেখানে পাকাঘর নির্মাণের পাকা ঘর নির্মাণ করার কথা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

এতে লোহাগাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন, পাহাড় ও বালু খেকোদের ব্যাপারে বিন্দুমাত্রও ছাড় নেই। এদের ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। পাহাড় কাটার স্থানটি সরেজমিন পরিদর্শন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি।