০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরডিএর উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত

আরডিএর উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী :

রাজশাহী মহানগরীর বহুতল ভবন নির্মানে আরডিএ’র উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে।

কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না একের পর এক বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন ১২ থেকে ১৪ জনের বিভিন্ন টাওয়ার নামক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকগন।

আবাসন ব্যাবসায়ীতে পরিনত হয়েছেন সরকারি চাকুরীজীবী থেকে শিক্ষক ও বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তাগন।

সেজন্য অনিয়ম করে বহুতল ভবন নির্মাণ আজ নিয়মে পরিনত করেছেন এইসব ক্ষমতাধর কর্মকর্তাগন।

বিগত দিনে আরডিএ’তে

যেই কর্মকর্তায় দায়িত্ব নিয়েছেন তারা কোন না কোন অনিয়ম দুর্নীতি করে পদোন্নতি নিয়ে আরডিএ ভবন ছেড়েছেন।

যানা যায়, রাজশাহী মহানগর ও আসেপাশের উপজেলা গুলোতে আবাসিক ও বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন দেয় আরডিএ কর্তৃপক্ষ।

ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ সালের ৩ ধারা অনুযায়ী বহুতল ভবনের ৫ তলার ক্ষেত্রে ৩ ফিট ৪ ইঞ্চি এবং ৮ থেকে ১০ তলা ভবনের ক্ষেত্রে উভয় পাসে ৫ ফিট থেকে ৬ ফিট ও ভবনের সামনে ৪ ফিট ৩ ইঞ্চি জায়গা ছেরে ভবন নির্মাণ করতে হবে।
এ নিয়ম মানতে নারাজ একাধিক ভবন মালিক ও আবাসন ব্যাবসায়ী।

রাজশাহী মহানগরীতেই গত কয়েক বছরে আরডিএ কর্তৃপক্ষ প্রায় দের হাজার ভবন নির্মাণের ৮ তলা থেকে ২০ তলা পর্যন্ত নকশার অনুমোদন দেয়।

অভিযোগ রয়েছে আরডিএ’র নকশার অনুমোদনের আবেদন করে পিয়ন থেকে উদ্ধতন কর্মকর্তাদের বিশেষ সুবিধা দিলেই অনায়াসে হয়ে যায় অনুমোদন।

আরডিএ কর্তৃক প্লানের অনুমোদন নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের মন মত প্লান করে ভবন নির্মাণ করলেও যেন দেখার কেউ নেই।

অভিযোগ দিলেও দায়সারা কাজ করেন আরডিএ কর্তৃপক্ষ। এতে তদারকির অভাব দেখছেন বিশ্লেষেকরা।

সরেজমিনে নগরীর নতুন বিলশিমলা এলাকায় ফুটপাতের কিছু অংশ দখল করে অন্যের জায়গা উপর ৪ তলা ভবন নির্মাণ করছেন।

হাফ শতাংশ জায়গার উপর নির্মাণকৃত ভবনটির কোন অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি ঠিকাদার পরিচয় দানকারী মমিন উদ্দিন ও পুলিশ কর্মকর্তা ভাই রবিউল ইসলাম।

এরা এতোটাই শক্তিশালী যে

গত বছর ১৮ই আগস্ট আরডিএ কর্তৃপক্ষ ৩ মাসের মধ্যে ভবন অপসারণের নোটিশ করলে এখন পর্যন্ত কোন কর্ণপাত করছেন না।

জানতে চাইলে ভবন মালিক মমিন উদ্দিন ও রবিউল ইসলাম বলেন,আরডিএ চাইলে ভেঙে দিবে আমি আমার মত করে কাজ করছি আরডিএ’তে কাগজপত্র দেখিয়েছি আরডিএ’র বিরুদ্ধে মামলা

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

আরডিএর উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

আরডিএর উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী :

রাজশাহী মহানগরীর বহুতল ভবন নির্মানে আরডিএ’র উদাসীনতায় ভবন নির্মানের অনিয়ম এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে।

কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না একের পর এক বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন ১২ থেকে ১৪ জনের বিভিন্ন টাওয়ার নামক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকগন।

আবাসন ব্যাবসায়ীতে পরিনত হয়েছেন সরকারি চাকুরীজীবী থেকে শিক্ষক ও বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তাগন।

সেজন্য অনিয়ম করে বহুতল ভবন নির্মাণ আজ নিয়মে পরিনত করেছেন এইসব ক্ষমতাধর কর্মকর্তাগন।

বিগত দিনে আরডিএ’তে

যেই কর্মকর্তায় দায়িত্ব নিয়েছেন তারা কোন না কোন অনিয়ম দুর্নীতি করে পদোন্নতি নিয়ে আরডিএ ভবন ছেড়েছেন।

যানা যায়, রাজশাহী মহানগর ও আসেপাশের উপজেলা গুলোতে আবাসিক ও বানিজ্যিক ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন দেয় আরডিএ কর্তৃপক্ষ।

ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ সালের ৩ ধারা অনুযায়ী বহুতল ভবনের ৫ তলার ক্ষেত্রে ৩ ফিট ৪ ইঞ্চি এবং ৮ থেকে ১০ তলা ভবনের ক্ষেত্রে উভয় পাসে ৫ ফিট থেকে ৬ ফিট ও ভবনের সামনে ৪ ফিট ৩ ইঞ্চি জায়গা ছেরে ভবন নির্মাণ করতে হবে।
এ নিয়ম মানতে নারাজ একাধিক ভবন মালিক ও আবাসন ব্যাবসায়ী।

রাজশাহী মহানগরীতেই গত কয়েক বছরে আরডিএ কর্তৃপক্ষ প্রায় দের হাজার ভবন নির্মাণের ৮ তলা থেকে ২০ তলা পর্যন্ত নকশার অনুমোদন দেয়।

অভিযোগ রয়েছে আরডিএ’র নকশার অনুমোদনের আবেদন করে পিয়ন থেকে উদ্ধতন কর্মকর্তাদের বিশেষ সুবিধা দিলেই অনায়াসে হয়ে যায় অনুমোদন।

আরডিএ কর্তৃক প্লানের অনুমোদন নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের মন মত প্লান করে ভবন নির্মাণ করলেও যেন দেখার কেউ নেই।

অভিযোগ দিলেও দায়সারা কাজ করেন আরডিএ কর্তৃপক্ষ। এতে তদারকির অভাব দেখছেন বিশ্লেষেকরা।

সরেজমিনে নগরীর নতুন বিলশিমলা এলাকায় ফুটপাতের কিছু অংশ দখল করে অন্যের জায়গা উপর ৪ তলা ভবন নির্মাণ করছেন।

হাফ শতাংশ জায়গার উপর নির্মাণকৃত ভবনটির কোন অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি ঠিকাদার পরিচয় দানকারী মমিন উদ্দিন ও পুলিশ কর্মকর্তা ভাই রবিউল ইসলাম।

এরা এতোটাই শক্তিশালী যে

গত বছর ১৮ই আগস্ট আরডিএ কর্তৃপক্ষ ৩ মাসের মধ্যে ভবন অপসারণের নোটিশ করলে এখন পর্যন্ত কোন কর্ণপাত করছেন না।

জানতে চাইলে ভবন মালিক মমিন উদ্দিন ও রবিউল ইসলাম বলেন,আরডিএ চাইলে ভেঙে দিবে আমি আমার মত করে কাজ করছি আরডিএ’তে কাগজপত্র দেখিয়েছি আরডিএ’র বিরুদ্ধে মামলা