হোমনায় মহানবী (সা.) নিয়ে কটূক্তির জেরে যুবক গ্রেপ্তার; পরদিন বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ!
মোঃ আবুল কালাম আজাদ
কুমিল্লার হোমনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে মহসিন (৩৫) নামের এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা আছাদপুর গ্রামে কফিল উদ্দিনের মাজার প্রাঙ্গণে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং অভিযুক্তের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ক্ষেমালিকা চাকমা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে মাজার এলাকা ও আশপাশের বেশ কিছু বাড়িঘর পুড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, কফিল উদ্দিন শাহের নাতি ও আলেক শাহের ছেলে মহসিন বুধবার ফেসবুকে মহানবী (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি করে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে হোমনা থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মহসিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার উত্তেজিত জনতা মহসিনের বাড়িঘরসহ কফিল উদ্দিনের মাজারে হামলা চালায়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, মহানবী (সা.)-কে কটূক্তিকারী মহসিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
কুমিল্লার হোমনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে মহসিন (৩৫) নামে এক যুবককে বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
এর পরদিন বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা আছাদপুর গ্রামে কফিল উদ্দিনের মাজার প্রাঙ্গণে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং অভিযুক্তের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায়।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে ততক্ষণে মাজার এলাকা ও আশপাশের বাড়িঘর আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করে।
আজাদ নিউজ ২৪ ডেক্স 











