০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঘায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ থানায় অভিযোগ

বাঘায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী:

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে লজ্জাজনক এক ঘটনা ঘটেছে। ৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’জন একে অপরের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুষ্ঠানে বাঘা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোসা: শাপলা বেগম এর সাথে ব্যারিস্টার মোঃ শামসুজ্জোহার বোন এবং চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ফকরুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী মোসাঃ শিলা সুলতানা (নব্য বিএনপি) এর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দলের অনেকেই অভিযোগ করছেন বিশেষ সম্পর্ক থাকায় এই আওয়ামী দোসরকে সহায়তা করেছেন চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বিকুল। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে দলকে দুর্বল করার চেষ্টা। তাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমানে বিএনপিতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন – তিনি মোসাঃ শীলা সুলতানার মত পদধারী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন, যা অত্যন্ত ঘৃণিত এবং বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও ত্যাগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন, আজ তারাই আবার রাজনৈতিকভাবে হুমকির মুখে পড়ছেন এবং মামলা-হয়রানির শিকার হচ্ছেন উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তিদের কারণে।

এ ঘটনায় বিএনপির ভেতরে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, যখন জনগণ পরিবর্তনের আশায় বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে, তখন কিভাবে একজন জেলার আহ্বায়ক স্বৈরাচার হাসিনার সঙ্গীদেরকে সঙ্গে নিয়ে দলের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তারা মনে করছেন, যেসব নেতা-কর্মী দলীয় পদের অপব্যবহার করে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

বাঘায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাঘায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী:

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে লজ্জাজনক এক ঘটনা ঘটেছে। ৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’জন একে অপরের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুষ্ঠানে বাঘা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোসা: শাপলা বেগম এর সাথে ব্যারিস্টার মোঃ শামসুজ্জোহার বোন এবং চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ফকরুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী মোসাঃ শিলা সুলতানা (নব্য বিএনপি) এর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দলের অনেকেই অভিযোগ করছেন বিশেষ সম্পর্ক থাকায় এই আওয়ামী দোসরকে সহায়তা করেছেন চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বিকুল। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে দলকে দুর্বল করার চেষ্টা। তাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমানে বিএনপিতে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন – তিনি মোসাঃ শীলা সুলতানার মত পদধারী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন, যা অত্যন্ত ঘৃণিত এবং বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও ত্যাগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন, আজ তারাই আবার রাজনৈতিকভাবে হুমকির মুখে পড়ছেন এবং মামলা-হয়রানির শিকার হচ্ছেন উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তিদের কারণে।

এ ঘটনায় বিএনপির ভেতরে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, যখন জনগণ পরিবর্তনের আশায় বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে, তখন কিভাবে একজন জেলার আহ্বায়ক স্বৈরাচার হাসিনার সঙ্গীদেরকে সঙ্গে নিয়ে দলের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। তারা মনে করছেন, যেসব নেতা-কর্মী দলীয় পদের অপব্যবহার করে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।