০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন হিসেবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়।
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান নিশ্চিত করেছেন, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ এবং কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা মাত্র ২০০ মিটার ছিল।

জেলায় বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো অঞ্চল। শীতের তীব্রতায় আগুন জ্বালিয়ে গরম হতে দেখা যায় অনেককেই। নদী তীরবর্তী এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শীত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। জীবিকার তাগিদে সকাল থেকেই রাস্তায় বের হচ্ছেন শ্রমজীবীরা, যদিও শীতের প্রকোপে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গোপালগঞ্জ শহরের রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, হিমেল শীতের কারণে রিকশা চালানো এখন খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই শীতে বাসা থেকে বের হচ্ছেন না, যার ফলে আমাদের আয়ের পরিমাণ কমে গেছে।

সদরের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষক অবনি মন্ডল জানান, এই সময় ইরি ধান সংগ্রহের মরশুম হলেও শীতের তীব্রতায় জমিতে কাজ করতে পারছি না, এ ছাড়া শ্রমিকও পাচ্ছি না।

মো. আবু সুফিয়ান আরও জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিন গোপালগঞ্জে এমন শৈত্যপ্রবাহ এবং কুয়াশা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতজনিত রোগে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা স্বাস্থ্য বিভাগকেও সতর্ক করে দিয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

লুৎফর সিকদার গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন হিসেবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় এই তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়।
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান নিশ্চিত করেছেন, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ এবং কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা মাত্র ২০০ মিটার ছিল।

জেলায় বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো অঞ্চল। শীতের তীব্রতায় আগুন জ্বালিয়ে গরম হতে দেখা যায় অনেককেই। নদী তীরবর্তী এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শীত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। জীবিকার তাগিদে সকাল থেকেই রাস্তায় বের হচ্ছেন শ্রমজীবীরা, যদিও শীতের প্রকোপে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গোপালগঞ্জ শহরের রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, হিমেল শীতের কারণে রিকশা চালানো এখন খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই শীতে বাসা থেকে বের হচ্ছেন না, যার ফলে আমাদের আয়ের পরিমাণ কমে গেছে।

সদরের রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষক অবনি মন্ডল জানান, এই সময় ইরি ধান সংগ্রহের মরশুম হলেও শীতের তীব্রতায় জমিতে কাজ করতে পারছি না, এ ছাড়া শ্রমিকও পাচ্ছি না।

মো. আবু সুফিয়ান আরও জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিন গোপালগঞ্জে এমন শৈত্যপ্রবাহ এবং কুয়াশা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতজনিত রোগে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা স্বাস্থ্য বিভাগকেও সতর্ক করে দিয়েছে।