১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবন থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ মুক্তিপণ দাবি করছে ডন বাহিনী

সুন্দরবন থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ মুক্তিপণ দাবি করছে ডন বাহিনী

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মুক্তিপনের দাবিতে সাত জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ৭ডিসেম্বর (রবিবার) আত্মসমর্পনকৃত জলদস্যু ডন বাহিনীর পরিচয়ে স্বশস্ত্র ১০ জন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ এলাকার হাঁসখালী, চেলাকাটা, হেতালবুনি খাল থেকে তাদের অপহরণ করে। অপহৃত জেলেরা হলো শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের আব্দুল আজিজ(৫০), ইব্রাহিম হোসেন(৪৫), আনারুল ইসলাম(২২), নাজমুল হক(৩৪), শামিম হোসেন(৩৬), আনোয়ার হোসেন(৩২) ও হরিনগর জেলেপাড়ার মুজিবুল হোসেন(৩৫)। ফিরে আসা দুই জেলে ফজের আলী ও সবুজ মিয়ার ভাষ্য সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে দুই তারিখে পাশ সংগ্রহ করে তারা কাঁকড়া শিকারের জন্য বনে যায়। বনে যেয়ে একপর্যায়ে কাঁখড়া শিকারের জন্য রোববার তারা মালঞ্চ নদীর বিভিন্ন খালে অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে তিনটি নৌকায় ১০ জন বন্দুকধারী তাদেরকে ঘিরে ধরে। প্রতি নৌকা থেকে একজনকে উঠিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মুক্তিপনের টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

সুন্দরবন থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ মুক্তিপণ দাবি করছে ডন বাহিনী

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সুন্দরবন থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ মুক্তিপণ দাবি করছে ডন বাহিনী

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মুক্তিপনের দাবিতে সাত জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। ৭ডিসেম্বর (রবিবার) আত্মসমর্পনকৃত জলদস্যু ডন বাহিনীর পরিচয়ে স্বশস্ত্র ১০ জন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ এলাকার হাঁসখালী, চেলাকাটা, হেতালবুনি খাল থেকে তাদের অপহরণ করে। অপহৃত জেলেরা হলো শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের আব্দুল আজিজ(৫০), ইব্রাহিম হোসেন(৪৫), আনারুল ইসলাম(২২), নাজমুল হক(৩৪), শামিম হোসেন(৩৬), আনোয়ার হোসেন(৩২) ও হরিনগর জেলেপাড়ার মুজিবুল হোসেন(৩৫)। ফিরে আসা দুই জেলে ফজের আলী ও সবুজ মিয়ার ভাষ্য সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে দুই তারিখে পাশ সংগ্রহ করে তারা কাঁকড়া শিকারের জন্য বনে যায়। বনে যেয়ে একপর্যায়ে কাঁখড়া শিকারের জন্য রোববার তারা মালঞ্চ নদীর বিভিন্ন খালে অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে তিনটি নৌকায় ১০ জন বন্দুকধারী তাদেরকে ঘিরে ধরে। প্রতি নৌকা থেকে একজনকে উঠিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মুক্তিপনের টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়।