০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশে চলছে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বার্ষিক পরীক্ষা: মাগুরা কেন্দ্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট সবাই

নকলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশে চলছে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বার্ষিক পরীক্ষা: মাগুরা কেন্দ্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট সবাই

বিশেষ প্রতিবেদন
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

বাংলাদেশ বোর্ড অফ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অফ মেডিসিনের অধীনে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের বার্ষিক কোয়ালিফাইং পরীক্ষা। ঢাকা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, মাগুরা, গফরগাঁও, বকশীগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, সিলেট, রাউজান, চাঁদপুর, দাউদকান্দি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, বাগেরহাট, রংপুর, বরিশাল ও ভোলা—এই ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষার কার্যক্রম চলছে। পরীক্ষা আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

মাগুরা পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, পুরো কেন্দ্রজুড়ে বিরাজ করছে এক শান্ত, নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ। পরীক্ষার্থীরা মনোযোগ সহকারে উত্তরপত্রে লিখছেন, শিক্ষকরা দায়িত্বশীলভাবে নজরদারি করছেন। পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বাবুল হোসেন, যিনি পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, “প্রতিবারের মতো এবারও অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সবাই আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা নকলমুক্ত একটি পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।”

তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ আছেন যারা কলেজের উন্নতি ও সুনাম সহ্য করতে পারেন না। তারা কলেজের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার চালাচ্ছেন। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য।”

অধ্যক্ষ বাবুল হোসেনের মতে, কলেজের সুনাম, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মানই এ প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সকলের সহযোগিতায় এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তিনি।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে উপস্থিত বোর্ড সদস্য , শিক্ষক ও অভিভাবকেরাও জানান, এমন সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এই জাতীয় পরীক্ষা ও এর নকলমুক্ত আয়োজন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। মাগুরা কেন্দ্রের এমন সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখিয়ে দিয়েছে—ইচ্ছা, সততা ও সঠিক তত্ত্বাবধান থাকলে নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব ও বাস্তবায়নযোগ্য।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

নকলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশে চলছে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বার্ষিক পরীক্ষা: মাগুরা কেন্দ্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট সবাই

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

নকলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশে চলছে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বার্ষিক পরীক্ষা: মাগুরা কেন্দ্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট সবাই

বিশেষ প্রতিবেদন
অপু দাস, স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

বাংলাদেশ বোর্ড অফ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অফ মেডিসিনের অধীনে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের বার্ষিক কোয়ালিফাইং পরীক্ষা। ঢাকা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, মাগুরা, গফরগাঁও, বকশীগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, সিলেট, রাউজান, চাঁদপুর, দাউদকান্দি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, বাগেরহাট, রংপুর, বরিশাল ও ভোলা—এই ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষার কার্যক্রম চলছে। পরীক্ষা আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

মাগুরা পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, পুরো কেন্দ্রজুড়ে বিরাজ করছে এক শান্ত, নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ। পরীক্ষার্থীরা মনোযোগ সহকারে উত্তরপত্রে লিখছেন, শিক্ষকরা দায়িত্বশীলভাবে নজরদারি করছেন। পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বাবুল হোসেন, যিনি পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, “প্রতিবারের মতো এবারও অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সবাই আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা নকলমুক্ত একটি পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।”

তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ আছেন যারা কলেজের উন্নতি ও সুনাম সহ্য করতে পারেন না। তারা কলেজের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার চালাচ্ছেন। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য।”

অধ্যক্ষ বাবুল হোসেনের মতে, কলেজের সুনাম, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মানই এ প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সকলের সহযোগিতায় এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান তিনি।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে উপস্থিত বোর্ড সদস্য , শিক্ষক ও অভিভাবকেরাও জানান, এমন সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এই জাতীয় পরীক্ষা ও এর নকলমুক্ত আয়োজন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। মাগুরা কেন্দ্রের এমন সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখিয়ে দিয়েছে—ইচ্ছা, সততা ও সঠিক তত্ত্বাবধান থাকলে নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব ও বাস্তবায়নযোগ্য।