০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকসই মৎস্য চাষে নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা: রাজশাহীতে বিভাগীয় কর্মশালা

টেকসই মৎস্য চাষে নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা: রাজশাহীতে বিভাগীয় কর্মশালা

অপু দাস , স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

রাজশাহীতে “বাংলাদেশে অ্যাকুয়াকালচার নীতির প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক একটি বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী নগরীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলের কনফারেন্স হলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মণ্ডল।

বিশেষজ্ঞ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. শামসুল কবির ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. গৌতম কুমার কুণ্ডু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ড. মারিয়া জামান ও রাজশাহী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় রাবির ফিশারিজ অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন জেলার মৎস্য কর্মকর্তা, ফিড কোম্পানির প্রতিনিধি, খামারিরা, এনজিও প্রতিনিধি এবং শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশ নেন।

এই কর্মশালার আয়োজন করে Aquaculture Network of Bangladesh (ANB)। সহযোগিতা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, CEFAS, BFRF ও BSFF।

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশের মৎস্য খাত ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়, যার মধ্যে ৫৮ শতাংশই আসে চাষকৃত মাছ থেকে। তবে এই উৎপাদন মূলত সীমাবদ্ধ রুইজাতীয় মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কিছু দেশীয় ছোট মাছের মধ্যে। সমুদ্রভিত্তিক মাছ চাষ এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি।

তাদের মতে, জাতীয় পর্যায়ে একটি অ্যাকুয়াকালচার নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে খাতটিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করা, রপ্তানি বৃদ্ধি করা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে। সেই উদ্দেশ্যেই রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ কার্যক্রম চালাচ্ছে সংগঠনটি।

কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনের জন্য খ্যাত রাজশাহীতেই এই কর্মশালার আয়োজনকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনার নিলখী সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়াকে গণসংবর্ধনা

টেকসই মৎস্য চাষে নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা: রাজশাহীতে বিভাগীয় কর্মশালা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টেকসই মৎস্য চাষে নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা: রাজশাহীতে বিভাগীয় কর্মশালা

অপু দাস , স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

রাজশাহীতে “বাংলাদেশে অ্যাকুয়াকালচার নীতির প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক একটি বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী নগরীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলের কনফারেন্স হলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মণ্ডল।

বিশেষজ্ঞ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. শামসুল কবির ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. গৌতম কুমার কুণ্ডু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ড. মারিয়া জামান ও রাজশাহী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় রাবির ফিশারিজ অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন জেলার মৎস্য কর্মকর্তা, ফিড কোম্পানির প্রতিনিধি, খামারিরা, এনজিও প্রতিনিধি এবং শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশ নেন।

এই কর্মশালার আয়োজন করে Aquaculture Network of Bangladesh (ANB)। সহযোগিতা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, CEFAS, BFRF ও BSFF।

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশের মৎস্য খাত ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়, যার মধ্যে ৫৮ শতাংশই আসে চাষকৃত মাছ থেকে। তবে এই উৎপাদন মূলত সীমাবদ্ধ রুইজাতীয় মাছ, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কিছু দেশীয় ছোট মাছের মধ্যে। সমুদ্রভিত্তিক মাছ চাষ এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি।

তাদের মতে, জাতীয় পর্যায়ে একটি অ্যাকুয়াকালচার নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে খাতটিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা, উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করা, রপ্তানি বৃদ্ধি করা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে। সেই উদ্দেশ্যেই রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ কার্যক্রম চালাচ্ছে সংগঠনটি।

কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনের জন্য খ্যাত রাজশাহীতেই এই কর্মশালার আয়োজনকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।