শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের পরিকল্পিত সময় নিশ্চিতের আহ্বান, তবেই সফল হবে মাউশির ক্রীড়া কার্যক্রম
মোঃ আবুল কালাম আজাদ:
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের পরিকল্পিত সময় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের ফিটনেস, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব বিকাশে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁদের মূল দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সময় ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।
সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ‘স্টুডেন্ট-প্যারেন্ট মিটিং’ নিয়মিত পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে। এ নির্দেশনাকে স্বাগত জানিয়ে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকরা বলছেন, মাঠভিত্তিক কার্যক্রম সফল করতে তাদের দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময় ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সুস্থতা গড়ে তোলা। সে কারণে সাধারণ ক্লাসের চাপ কিছুটা সমন্বয় করে মাঠের কার্যক্রম পরিচালনায় পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করা গেলে খেলাধুলা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তারা আরও বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া উপকরণ, সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং সময়োপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে মাউশির নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সামাজিক দক্ষতারও বিকাশ ঘটবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের দায়িত্ব অনুযায়ী পরিকল্পিত সময় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে সরকারের একটি সুস্থ, মেধাবী ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবে আরও বেগবান হবে।
মোঃ আবুল কালাম আজাদ: 






















