০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোদাগাড়ীতে মাটি কাটার মহোৎসব থামাতে প্রশাসনের হানা

গোদাগাড়ীতে মাটি কাটার মহোৎসব থামাতে প্রশাসনের হানা

মোঃ রাজু,গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) অবৈধভাবে কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (১ মার্চ) দিনব্যাপী ও রাতভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম। এ সময় রাজাবাড়ি হাট ও ঝিলিম বাজারসহ অন্তত চারটি স্থানে অভিযান চালানো হয়। মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৪টি এস্কেভেটর (ভেকু মেশিন) অকেজো করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা সরঞ্জাম বিকল করে মাটি কাটা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে এবং কখনো দিনের বেলায়ও কৃষি জমির টপসয়েল কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, কৃষি জমির মাটি কেটে বিক্রি একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

গোদাগাড়ীতে মাটি কাটার মহোৎসব থামাতে প্রশাসনের হানা

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

গোদাগাড়ীতে মাটি কাটার মহোৎসব থামাতে প্রশাসনের হানা

মোঃ রাজু,গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) অবৈধভাবে কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (১ মার্চ) দিনব্যাপী ও রাতভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম। এ সময় রাজাবাড়ি হাট ও ঝিলিম বাজারসহ অন্তত চারটি স্থানে অভিযান চালানো হয়। মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৪টি এস্কেভেটর (ভেকু মেশিন) অকেজো করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে থাকা সরঞ্জাম বিকল করে মাটি কাটা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে এবং কখনো দিনের বেলায়ও কৃষি জমির টপসয়েল কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, কৃষি জমির মাটি কেটে বিক্রি একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব।