০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

  • মনোয়ারুলইসলাম
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৯ জন পড়েছেন

তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

মনোয়ারুলইসলাম রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তাঁর স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)–কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাতের কোনো এক সময় তাঁদের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার ভোরে পাশের বাড়ির এক ব্যক্তি ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে মই লাগিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢোকেন। তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় ও ডাইনিং ঘরে যোগেশ চন্দ্র রায়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। দম্পতি বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ কাজ শুরু করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনাব্বোর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

তারাগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

মনোয়ারুলইসলাম রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তাঁর স্ত্রী সুর্বনা রায় (৬০)–কে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাতের কোনো এক সময় তাঁদের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার ভোরে পাশের বাড়ির এক ব্যক্তি ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে মই লাগিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢোকেন। তিনি রান্নাঘরে সুর্বনা রায় ও ডাইনিং ঘরে যোগেশ চন্দ্র রায়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, যোগেশ চন্দ্র রায় রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। দম্পতি বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ কাজ শুরু করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনাব্বোর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।