০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরের আদালতে দাঙ্গাবাজ রেলগেটের সোহেলসহ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে মামলা

যশোরের আদালতে দাঙ্গাবাজ রেলগেটের সোহেলসহ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে মামলা

মালিকুজ্জামান কাকা

দাঙ্গাবাজ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যশোরে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিরা হচ্ছে জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ইউছুপপুরের আব্দুল আজিজের ছেলে শরীফ আব্দুল্লাহ ও সদর উপজেলার তেঁতুলতলা রেলগেটের মৃত আকবর আলীর ছেলে সোহেল। মামলার বাদি নাছিমা আফরোজ রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। মামলা নম্বর ৮৭৪/২০২৫। ধারা ১০৭, ১১৪, ১১৭ পফৌকা:বি:।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা দাঙ্গাবাজ, আইন অমান্যকারী, পর সম্পদ লোভী ও সন্ত্রাসী। তাদের সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী সক্রিয়। কয়েকদিন আগে সকাল ১০ টার দিকে বাদির বাড়ির সামনে বাদিকে মারতে উদ্যত হয়। বাদি দ্রুত বাড়ির মধ্যে ঢুকে গেট লাগিয়ে দিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। বাদির স্বামী আব্দুর রাজ্জাক, ছেলে নাঈম শেখ, একই এলাকার মৃত জব্বারের ছেলে রেলবাবু, মৃত মোহাম্মদের ছেলে আব্দুর রব আসামিদের আস্ফালন দেখেও প্রাণ ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারেনি।
স্থানীয়রা জানায়, জমির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে বাদি ও আসামিদের মধ্যে। তাছাড়া আসামি সোহেল ১৯৯৬ সালে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধের হোতা সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান সুইটের অন্যতম সহযোগী ছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে এই সোহেল রাজনৈতিক দল বিএনপির কোন একটি অঙ্গ সংগঠনের সাথে মিশে নানা অপকর্ম করে। তবে কোন অঙ্গ সংগঠন বা সেই দলে তার কোন পদ আছে কিনা কেউ বলতে পারেনি।
যশোর নগর ও থানা বিএনপির দুই দায়িত্বশীল নেতা বলেন, রেলগেট তেঁতুলতলার আকবর আলীর ছেলে সোহেল মূল দলের কেউ নন। কোন অঙ্গ সংগঠনে আছে কিনা না জেনে বলা যাবেনা।
মামলার বাদি নাছিমা আফরোজের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক জানান, পারিবারিক ভাবে তারা খুবই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কেননা এই আসামিরা খুবই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির। এমনকি দুই নম্বর আসামি তার টাকা আত্মসাত করেছে। ঐ টাকা ফেরত দিতে আগ্রহ দেখায় না। তার এক স্বজনের কাছে তার নাম ভাঙিয়ে লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। তারা প্রকাশ্য লোকজনকে গালিগালাজ করে। তবে আসামীর উচ্চ মহলে কোন সেল্টার আছে কিনা তারা জানেনা।
বাদির উকিল বলেন যে, আসামিরা পারে না এমন কোন অপকর্ম নেই। আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যই বিজ্ঞ আদালতের স্মরনাপন্ন হয়েছেন আমার বাদি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

যশোরের আদালতে দাঙ্গাবাজ রেলগেটের সোহেলসহ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

যশোরের আদালতে দাঙ্গাবাজ রেলগেটের সোহেলসহ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে মামলা

মালিকুজ্জামান কাকা

দাঙ্গাবাজ দুই পালের গোদার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যশোরে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিরা হচ্ছে জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ইউছুপপুরের আব্দুল আজিজের ছেলে শরীফ আব্দুল্লাহ ও সদর উপজেলার তেঁতুলতলা রেলগেটের মৃত আকবর আলীর ছেলে সোহেল। মামলার বাদি নাছিমা আফরোজ রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। মামলা নম্বর ৮৭৪/২০২৫। ধারা ১০৭, ১১৪, ১১৭ পফৌকা:বি:।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা দাঙ্গাবাজ, আইন অমান্যকারী, পর সম্পদ লোভী ও সন্ত্রাসী। তাদের সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী সক্রিয়। কয়েকদিন আগে সকাল ১০ টার দিকে বাদির বাড়ির সামনে বাদিকে মারতে উদ্যত হয়। বাদি দ্রুত বাড়ির মধ্যে ঢুকে গেট লাগিয়ে দিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। বাদির স্বামী আব্দুর রাজ্জাক, ছেলে নাঈম শেখ, একই এলাকার মৃত জব্বারের ছেলে রেলবাবু, মৃত মোহাম্মদের ছেলে আব্দুর রব আসামিদের আস্ফালন দেখেও প্রাণ ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারেনি।
স্থানীয়রা জানায়, জমির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে বাদি ও আসামিদের মধ্যে। তাছাড়া আসামি সোহেল ১৯৯৬ সালে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধের হোতা সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান সুইটের অন্যতম সহযোগী ছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে এই সোহেল রাজনৈতিক দল বিএনপির কোন একটি অঙ্গ সংগঠনের সাথে মিশে নানা অপকর্ম করে। তবে কোন অঙ্গ সংগঠন বা সেই দলে তার কোন পদ আছে কিনা কেউ বলতে পারেনি।
যশোর নগর ও থানা বিএনপির দুই দায়িত্বশীল নেতা বলেন, রেলগেট তেঁতুলতলার আকবর আলীর ছেলে সোহেল মূল দলের কেউ নন। কোন অঙ্গ সংগঠনে আছে কিনা না জেনে বলা যাবেনা।
মামলার বাদি নাছিমা আফরোজের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক জানান, পারিবারিক ভাবে তারা খুবই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কেননা এই আসামিরা খুবই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির। এমনকি দুই নম্বর আসামি তার টাকা আত্মসাত করেছে। ঐ টাকা ফেরত দিতে আগ্রহ দেখায় না। তার এক স্বজনের কাছে তার নাম ভাঙিয়ে লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। তারা প্রকাশ্য লোকজনকে গালিগালাজ করে। তবে আসামীর উচ্চ মহলে কোন সেল্টার আছে কিনা তারা জানেনা।
বাদির উকিল বলেন যে, আসামিরা পারে না এমন কোন অপকর্ম নেই। আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যই বিজ্ঞ আদালতের স্মরনাপন্ন হয়েছেন আমার বাদি।