০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়া উপজেলা আ’লী সাধারণ সম্পাদকের পিতা ৩কোটি টাকার খাস জমি পেতে মরিয়া

লোহাগাড়া উপজেলা আ’লী সাধারণ সম্পাদকের পিতা ৩কোটি টাকার খাস জমি
পেতে মরিয়া

নুরুল আমিন[লোহাগাডা চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন হিরুর বাবা গোলাম হোসনকে ৩কোটি টাকার খাসজমি বন্দোবস্তী দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।বিশেষ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদর লোহাগাড়া মৌজার বটতলী স্টেশনে বিএস দাগ নং৭১৩ এর পাঁচ শতক খাসজমি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্তীর জন্য আবেদন করেন গোলাম হোসেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয় (রাজস্ব শাখা) চট্টগ্রাম এর স্মারক নং ০৫.৪২১৫০০.৩০২.১২.৪৪০.২৫-১৯৫৭ এর অনূকূলে তদন্ত দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) লোহাগাড়া,উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই খাসজমি বন্দোবস্তীর উপযোগী কিনা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন আধুনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহজাহান আক্তারকে। তিনি অর্থ লোভে তাড়াহুড়া করে মাত্র তিন দিনে অফিসে বসেই ইউনিয়ন ঐ ভূমি কর্মকর্তা, গোলাম হোসনকে খাসজমি টি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্তী পাওয়ার সুপারিশ প্রতিবেদন দাখিল করেন এই ভুমি কর্মকর্তা, অথচ এরকম হাজারো পাইল পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিয়েছে সাধারণ জনগণের।ওই ফাইলের যথাযথ কাজে কোন দায়িত্ববোধ নাই।বললেও চলে ওই কর্মকর্তার।
এতে সচেতন মহলের প্রশ্ন ৩ দিনে কি ভাবে বন্দোবস্তেীর প্রতিবেদন দাখিল করতে পারে।

এ বিষয়ে আধুনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহজাহান আক্তারের কাছে জানতে ছাইলে তিনি বলেন, সব কথা খুলে বলা যায় না। উপর মহলের নির্দেশ রয়েছে। অথচ সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যক্তি গোলাম হোসেন খাসজমি পাওয়ার উপযোগী নয়।সেই একজন শিল্পপতি, চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক উপজেলা সদর বটতলী স্টেশন তার একাধিক সম্পদ রয়েছে। এছাড়া
ঐ খাসজমি বন্দোবস্তি করিলে লোহাগড়ার ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়বে বলে ধারণা করছে ব্যবসায়ীরা

যেমন খাজা মার্কেট, ইব্রাহিম মার্কেট, জসিম গং মালিকানাধীন মার্কেট, এমদাদিয়া মার্কেট, সিকদার সেন্টার, ভাইভাই মার্কেটসহ বেশ কয়টি মার্কেটের পেছনেই ওই খাসজমি। এই খাসজমি দিয়েই এসব মার্কেটসহ পাঁচ শতাধিক দোকানের পানি নিষ্কাসন হয়। বর্ষা মৌসুমেও পানি চলাচল করে এ খাসজমির উপর দিয়ে। অথচ, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় প্রস্তাবিত ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হলে পাবলিক ইজমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

অথচ ঐখাসজমি দিয়া এক সময় সাধারণ জনগণের চলাফেরের রাস্তা যাহা আরএস বিএস খতিয়ানে উল্লেখ আছে যা বন্দোবস্তি পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ ১০ থেকে ১৫ টি মার্কেটের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র জায়গা।

এ নিয়ে লোহাগাড়া উপজেলার ব্যবসায়ী
আব্দুল আউয়াল বলেন, উপজেলা সদরে কোথাও পাবলিক গণশৌচাগার নেই। যার কারনে ক্রেতা ও বিক্রেতা উবয়ে সব সময় অসুবিধার সম্মুখীন হয়। তাই লোহাগাড়ার ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন কোন অসাদু চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে
লোহাগাড়া আমিরাবাদ ব্যবসায়ীদের যেন বিঘ্ন না ঘটায়

এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন যে সমস্ত খাস জাগা বন্দোবস্তি করলে পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি ও বিশাল আকারে ক্ষতির সম্মুখীন হয় সেখানে খাস জমি বন্দোবস্তি দেওয়ার কোন সুযোগ নাই তবে বিষয়টি সে নিজে খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

লোহাগাড়া উপজেলা আ’লী সাধারণ সম্পাদকের পিতা ৩কোটি টাকার খাস জমি পেতে মরিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

লোহাগাড়া উপজেলা আ’লী সাধারণ সম্পাদকের পিতা ৩কোটি টাকার খাস জমি
পেতে মরিয়া

নুরুল আমিন[লোহাগাডা চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন হিরুর বাবা গোলাম হোসনকে ৩কোটি টাকার খাসজমি বন্দোবস্তী দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।বিশেষ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সদর লোহাগাড়া মৌজার বটতলী স্টেশনে বিএস দাগ নং৭১৩ এর পাঁচ শতক খাসজমি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্তীর জন্য আবেদন করেন গোলাম হোসেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয় (রাজস্ব শাখা) চট্টগ্রাম এর স্মারক নং ০৫.৪২১৫০০.৩০২.১২.৪৪০.২৫-১৯৫৭ এর অনূকূলে তদন্ত দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) লোহাগাড়া,উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই খাসজমি বন্দোবস্তীর উপযোগী কিনা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন আধুনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহজাহান আক্তারকে। তিনি অর্থ লোভে তাড়াহুড়া করে মাত্র তিন দিনে অফিসে বসেই ইউনিয়ন ঐ ভূমি কর্মকর্তা, গোলাম হোসনকে খাসজমি টি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্তী পাওয়ার সুপারিশ প্রতিবেদন দাখিল করেন এই ভুমি কর্মকর্তা, অথচ এরকম হাজারো পাইল পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিয়েছে সাধারণ জনগণের।ওই ফাইলের যথাযথ কাজে কোন দায়িত্ববোধ নাই।বললেও চলে ওই কর্মকর্তার।
এতে সচেতন মহলের প্রশ্ন ৩ দিনে কি ভাবে বন্দোবস্তেীর প্রতিবেদন দাখিল করতে পারে।

এ বিষয়ে আধুনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহজাহান আক্তারের কাছে জানতে ছাইলে তিনি বলেন, সব কথা খুলে বলা যায় না। উপর মহলের নির্দেশ রয়েছে। অথচ সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যক্তি গোলাম হোসেন খাসজমি পাওয়ার উপযোগী নয়।সেই একজন শিল্পপতি, চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক উপজেলা সদর বটতলী স্টেশন তার একাধিক সম্পদ রয়েছে। এছাড়া
ঐ খাসজমি বন্দোবস্তি করিলে লোহাগড়ার ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়বে বলে ধারণা করছে ব্যবসায়ীরা

যেমন খাজা মার্কেট, ইব্রাহিম মার্কেট, জসিম গং মালিকানাধীন মার্কেট, এমদাদিয়া মার্কেট, সিকদার সেন্টার, ভাইভাই মার্কেটসহ বেশ কয়টি মার্কেটের পেছনেই ওই খাসজমি। এই খাসজমি দিয়েই এসব মার্কেটসহ পাঁচ শতাধিক দোকানের পানি নিষ্কাসন হয়। বর্ষা মৌসুমেও পানি চলাচল করে এ খাসজমির উপর দিয়ে। অথচ, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় প্রস্তাবিত ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হলে পাবলিক ইজমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

অথচ ঐখাসজমি দিয়া এক সময় সাধারণ জনগণের চলাফেরের রাস্তা যাহা আরএস বিএস খতিয়ানে উল্লেখ আছে যা বন্দোবস্তি পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ ১০ থেকে ১৫ টি মার্কেটের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র জায়গা।

এ নিয়ে লোহাগাড়া উপজেলার ব্যবসায়ী
আব্দুল আউয়াল বলেন, উপজেলা সদরে কোথাও পাবলিক গণশৌচাগার নেই। যার কারনে ক্রেতা ও বিক্রেতা উবয়ে সব সময় অসুবিধার সম্মুখীন হয়। তাই লোহাগাড়ার ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন কোন অসাদু চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে
লোহাগাড়া আমিরাবাদ ব্যবসায়ীদের যেন বিঘ্ন না ঘটায়

এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন যে সমস্ত খাস জাগা বন্দোবস্তি করলে পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি ও বিশাল আকারে ক্ষতির সম্মুখীন হয় সেখানে খাস জমি বন্দোবস্তি দেওয়ার কোন সুযোগ নাই তবে বিষয়টি সে নিজে খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।