০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলশানে বিএনপির মনোনয়নের জন্য ডাক পেলেন পটুয়াখালীর ৪ নেতা

গুলশানে বিএনপির মনোনয়নের জন্য ডাক পেলেন পটুয়াখালীর ৪ নেতা

জাকারিয়া রানা
জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতের অংশ হিসেবে গুলশান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।

শনিবার বিকেলে গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাই কমিটির সামনে তিনি সাক্ষাত করেন। তিন সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু।

কমিটির সদস্যরা মজিবুর রহমান টোটনকে প্রশ্ন করেন কেন তিনি মনোনয়ন চান। উত্তরে তিনি বলেন,
“তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা, বিগত ২০ বছর ধরে হাজারো নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলার মোকাবিলা, জামিন ও মামলা থেকে অব্যাহতি নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের দোরগোড়ায় তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া ছিল আমার প্রতিদিনের দায়িত্ব। দলীয় নেতাকর্মীদের মতো আমিও বছরের পর বছর মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছি, হামলার শিকার হয়েছি, এমনকি আমার পরিবারও নির্যাতিত হয়েছে। তবুও কখনো দলীয় নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাইনি।”

তিনি আরও জানান, বিএনপির ইতিহাসে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও সম্পূর্ণ গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তিনি বিপুল ভোটে জেলা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন—যা বরিশাল বিভাগে প্রথম ও স্মরণীয় ঘটনা। সেই ভোট গণনার প্রক্রিয়াও সরাসরি মিডিয়ায় প্রচার হয়েছিল এবং তারেক রহমান তা অবগত হয়েছিলেন।

মজিবুর রহমান টোটন বলেন,
“দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আমি দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী উপজেলায় সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার বিশ্বাস, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারব।”

এদিকে জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আরও তিনজনকে সাক্ষাতের জন্য ডেকেছে বিএনপির গুলশান কার্যালয়। তারা হলেন—সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু।

তিনজনই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাক্ষাত করেছেন।

তবে এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনের ডাক পাওয়া ও সাক্ষাতকে সাধারণ নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

গুলশানে বিএনপির মনোনয়নের জন্য ডাক পেলেন পটুয়াখালীর ৪ নেতা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

গুলশানে বিএনপির মনোনয়নের জন্য ডাক পেলেন পটুয়াখালীর ৪ নেতা

জাকারিয়া রানা
জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতের অংশ হিসেবে গুলশান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন।

শনিবার বিকেলে গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাই কমিটির সামনে তিনি সাক্ষাত করেন। তিন সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু।

কমিটির সদস্যরা মজিবুর রহমান টোটনকে প্রশ্ন করেন কেন তিনি মনোনয়ন চান। উত্তরে তিনি বলেন,
“তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা, বিগত ২০ বছর ধরে হাজারো নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলার মোকাবিলা, জামিন ও মামলা থেকে অব্যাহতি নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের দোরগোড়ায় তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া ছিল আমার প্রতিদিনের দায়িত্ব। দলীয় নেতাকর্মীদের মতো আমিও বছরের পর বছর মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছি, হামলার শিকার হয়েছি, এমনকি আমার পরিবারও নির্যাতিত হয়েছে। তবুও কখনো দলীয় নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাইনি।”

তিনি আরও জানান, বিএনপির ইতিহাসে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও সম্পূর্ণ গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তিনি বিপুল ভোটে জেলা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন—যা বরিশাল বিভাগে প্রথম ও স্মরণীয় ঘটনা। সেই ভোট গণনার প্রক্রিয়াও সরাসরি মিডিয়ায় প্রচার হয়েছিল এবং তারেক রহমান তা অবগত হয়েছিলেন।

মজিবুর রহমান টোটন বলেন,
“দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আমি দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী উপজেলায় সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার বিশ্বাস, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারব।”

এদিকে জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আরও তিনজনকে সাক্ষাতের জন্য ডেকেছে বিএনপির গুলশান কার্যালয়। তারা হলেন—সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু।

তিনজনই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাক্ষাত করেছেন।

তবে এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনের ডাক পাওয়া ও সাক্ষাতকে সাধারণ নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।