০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সময় বদলে গেছে, হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির সেই দিনগুলো

আজ বিশ্ব ডাক দিবস:
সময় বদলে গেছে, হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির সেই দিনগুলো

এস এম আলমগীর হুসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

এক সময় চিঠিই ছিল ভালোবাসা, অপেক্ষা আর খবরের একমাত্র বাহক। দূর শহরে প্রিয়জনের কাছে কিছু কথা পৌঁছে দিতে মানুষ ছুটে যেত ডাকঘরে। কলমের কালিতে লেখা সেই চিঠি অনেকের জন্য ছিল জীবনের অংশ, স্মৃতির খাতা। কোনো কোনো চিঠি একবার নয়, শতবারও পড়া হতো—প্রতিবারই যেন নতুন করে হৃদয়ে নাড়া দিত প্রিয়জনের সেই লেখা শব্দগুলো।

কিন্তু সময় বদলেছে। মোবাইল, ইমেইল আর অনলাইনের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি পৌঁছানোর সেই প্রিয় মাধ্যম—ডাক। এখন ডাকঘর যেন ইতিহাসের অংশ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। একসময় যেখানে পিয়নের সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি শুনে মানুষ ছুটে যেত চিঠি নিতে, এখন সেই শব্দও মিলিয়ে গেছে কোলাহলের ভেতর।

তবুও আজও সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্ব ডাক দিবস। প্রতি বছর ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিনটি। মানুষের মধ্যে চিঠির সেই আবেগ, সম্পর্কের সেই বন্ধন ফিরিয়ে আনতেই দিনটি পালন করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বদুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি হবে।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন, “ডাক শুধু চিঠি নয়, এটা ছিল মানুষের আবেগ, যোগাযোগের প্রথম সেতুবন্ধন। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক ডাকঘরের সেই ইতিহাস, অনুভব করুক চিঠির ভালোবাসা।”

আজকের এই ডিজিটাল যুগে হয়তো চিঠি লেখা পুরোনো অভ্যাসের মতো মনে হয়, কিন্তু সত্যি বলতে—একটি হাতে লেখা চিঠির মূল্য কোনো মেসেজ বা ইমোজিতে পাওয়া যায় না। চিঠি শুধু যোগাযোগ নয়, এটা ছিল সম্পর্কের নিঃশব্দ সাক্ষী।
সময়ের এই দৌড়ে তাই হয়তো আমাদের থেমে একবার ভাবা দরকার—প্রযুক্তি যতই এগোক, মনের ভাষা এখনো সেই কলমের কালিতেই সবচেয়ে জীবন্ত।

এস এম আলমগীর হুসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

এক সময় চিঠিই ছিল ভালোবাসা, অপেক্ষা আর খবরের একমাত্র বাহক। দূর শহরে প্রিয়জনের কাছে কিছু কথা পৌঁছে দিতে মানুষ ছুটে যেত ডাকঘরে। কলমের কালিতে লেখা সেই চিঠি অনেকের জন্য ছিল জীবনের অংশ, স্মৃতির খাতা। কোনো কোনো চিঠি একবার নয়, শতবারও পড়া হতো—প্রতিবারই যেন নতুন করে হৃদয়ে নাড়া দিত প্রিয়জনের সেই লেখা শব্দগুলো।

কিন্তু সময় বদলেছে। মোবাইল, ইমেইল আর অনলাইনের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি পৌঁছানোর সেই প্রিয় মাধ্যম—ডাক। এখন ডাকঘর যেন ইতিহাসের অংশ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। একসময় যেখানে পিয়নের সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি শুনে মানুষ ছুটে যেত চিঠি নিতে, এখন সেই শব্দও মিলিয়ে গেছে কোলাহলের ভেতর।

তবুও আজও সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্ব ডাক দিবস। প্রতি বছর ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিনটি। মানুষের মধ্যে চিঠির সেই আবেগ, সম্পর্কের সেই বন্ধন ফিরিয়ে আনতেই দিনটি পালন করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বদুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি হবে।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন, “ডাক শুধু চিঠি নয়, এটা ছিল মানুষের আবেগ, যোগাযোগের প্রথম সেতুবন্ধন। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক ডাকঘরের সেই ইতিহাস, অনুভব করুক চিঠির ভালোবাসা।”

আজকের এই ডিজিটাল যুগে হয়তো চিঠি লেখা পুরোনো অভ্যাসের মতো মনে হয়, কিন্তু সত্যি বলতে—একটি হাতে লেখা চিঠির মূল্য কোনো মেসেজ বা ইমোজিতে পাওয়া যায় না। চিঠি শুধু যোগাযোগ নয়, এটা ছিল সম্পর্কের নিঃশব্দ সাক্ষী।
সময়ের এই দৌড়ে তাই হয়তো আমাদের থেমে একবার ভাবা দরকার—প্রযুক্তি যতই এগোক, মনের ভাষা এখনো সেই কলমের কালিতেই সবচেয়ে জীবন্ত।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

সময় বদলে গেছে, হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির সেই দিনগুলো

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

আজ বিশ্ব ডাক দিবস:
সময় বদলে গেছে, হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির সেই দিনগুলো

এস এম আলমগীর হুসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

এক সময় চিঠিই ছিল ভালোবাসা, অপেক্ষা আর খবরের একমাত্র বাহক। দূর শহরে প্রিয়জনের কাছে কিছু কথা পৌঁছে দিতে মানুষ ছুটে যেত ডাকঘরে। কলমের কালিতে লেখা সেই চিঠি অনেকের জন্য ছিল জীবনের অংশ, স্মৃতির খাতা। কোনো কোনো চিঠি একবার নয়, শতবারও পড়া হতো—প্রতিবারই যেন নতুন করে হৃদয়ে নাড়া দিত প্রিয়জনের সেই লেখা শব্দগুলো।

কিন্তু সময় বদলেছে। মোবাইল, ইমেইল আর অনলাইনের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি পৌঁছানোর সেই প্রিয় মাধ্যম—ডাক। এখন ডাকঘর যেন ইতিহাসের অংশ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। একসময় যেখানে পিয়নের সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি শুনে মানুষ ছুটে যেত চিঠি নিতে, এখন সেই শব্দও মিলিয়ে গেছে কোলাহলের ভেতর।

তবুও আজও সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্ব ডাক দিবস। প্রতি বছর ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিনটি। মানুষের মধ্যে চিঠির সেই আবেগ, সম্পর্কের সেই বন্ধন ফিরিয়ে আনতেই দিনটি পালন করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বদুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি হবে।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন, “ডাক শুধু চিঠি নয়, এটা ছিল মানুষের আবেগ, যোগাযোগের প্রথম সেতুবন্ধন। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক ডাকঘরের সেই ইতিহাস, অনুভব করুক চিঠির ভালোবাসা।”

আজকের এই ডিজিটাল যুগে হয়তো চিঠি লেখা পুরোনো অভ্যাসের মতো মনে হয়, কিন্তু সত্যি বলতে—একটি হাতে লেখা চিঠির মূল্য কোনো মেসেজ বা ইমোজিতে পাওয়া যায় না। চিঠি শুধু যোগাযোগ নয়, এটা ছিল সম্পর্কের নিঃশব্দ সাক্ষী।
সময়ের এই দৌড়ে তাই হয়তো আমাদের থেমে একবার ভাবা দরকার—প্রযুক্তি যতই এগোক, মনের ভাষা এখনো সেই কলমের কালিতেই সবচেয়ে জীবন্ত।

এস এম আলমগীর হুসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

এক সময় চিঠিই ছিল ভালোবাসা, অপেক্ষা আর খবরের একমাত্র বাহক। দূর শহরে প্রিয়জনের কাছে কিছু কথা পৌঁছে দিতে মানুষ ছুটে যেত ডাকঘরে। কলমের কালিতে লেখা সেই চিঠি অনেকের জন্য ছিল জীবনের অংশ, স্মৃতির খাতা। কোনো কোনো চিঠি একবার নয়, শতবারও পড়া হতো—প্রতিবারই যেন নতুন করে হৃদয়ে নাড়া দিত প্রিয়জনের সেই লেখা শব্দগুলো।

কিন্তু সময় বদলেছে। মোবাইল, ইমেইল আর অনলাইনের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি পৌঁছানোর সেই প্রিয় মাধ্যম—ডাক। এখন ডাকঘর যেন ইতিহাসের অংশ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। একসময় যেখানে পিয়নের সাইকেলের ঘণ্টাধ্বনি শুনে মানুষ ছুটে যেত চিঠি নিতে, এখন সেই শব্দও মিলিয়ে গেছে কোলাহলের ভেতর।

তবুও আজও সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্ব ডাক দিবস। প্রতি বছর ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিনটি। মানুষের মধ্যে চিঠির সেই আবেগ, সম্পর্কের সেই বন্ধন ফিরিয়ে আনতেই দিনটি পালন করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়বদুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে এ আয়োজনের সমাপ্তি হবে।

ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব বলেন, “ডাক শুধু চিঠি নয়, এটা ছিল মানুষের আবেগ, যোগাযোগের প্রথম সেতুবন্ধন। আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক ডাকঘরের সেই ইতিহাস, অনুভব করুক চিঠির ভালোবাসা।”

আজকের এই ডিজিটাল যুগে হয়তো চিঠি লেখা পুরোনো অভ্যাসের মতো মনে হয়, কিন্তু সত্যি বলতে—একটি হাতে লেখা চিঠির মূল্য কোনো মেসেজ বা ইমোজিতে পাওয়া যায় না। চিঠি শুধু যোগাযোগ নয়, এটা ছিল সম্পর্কের নিঃশব্দ সাক্ষী।
সময়ের এই দৌড়ে তাই হয়তো আমাদের থেমে একবার ভাবা দরকার—প্রযুক্তি যতই এগোক, মনের ভাষা এখনো সেই কলমের কালিতেই সবচেয়ে জীবন্ত।