০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আকাশে দেবী আগমনের বার্তা: মহালয়ায় ঘরে ঘরে পূজার আমেজ

আকাশে দেবী আগমনের বার্তা: মহালয়ায় ঘরে ঘরে পূজার আমেজ

শিউলি ফুলের গন্ধ নিয়ে, মহালয়ার ভোরে, আবার বছর পার করে পুজো এলো ঘুরে.. হোক না আকাশ মেঘে ঢাকা, বৃষ্টি হোক ঝির ঝির,কাশের বোন দিচ্ছে জানান,মা আসছে শিগগিরি!
শুভ মহালয়া!

মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষের সূচনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি।
মির্জাগঞ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে ভোরবেলা থেকেই অনুষ্ঠিত হয় ‘মহিষাসুর মর্দিনী’।
উপজেলার সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরে নানা আয়োজনে পালিত হলো মহালয়া। ছিল চণ্ডীপাঠ, ধর্মীয় গান আর মহিষাসুর বধের পরিবেশনা। আরামঘরের শিল্পীদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠান দেখতে ভোর থেকে ভিড় করেন শিশু থেকে প্রবীণরা।
মহালয়া দেখতে আসা দর্শকরা জানান, শিউলি ফুলের সুবাস, ভোরের কুয়াশা আর সুর—সবকিছু মিলিয়ে মহালয়া যেন এক বিশেষ অনুভূতি। প্রবীণরা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় মহালয়া মানেই ছিল ভোরে সবাই মিলে রেডিওর সামনে বসে ‘মহিষাসুর মর্দিনী’ শোনা। সেই সঙ্গে উঠোনে পড়ে থাকা শিউলি কুড়িয়ে পুষ্পাঞ্জলি প্রস্তুত করা।
পূজা উদ্যোক্তারা জানান, মহালয়াকে ঘিরেই দুর্গোৎসবের মূল আমেজ তৈরি হয়। এদিনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দেবী দুর্গাকে স্বাগত জানানোর পালা। পূজামণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের কাজও শেষ পর্যায়ে, চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা।
মির্জাগঞ্জ পটুয়াখালী প্রতিনিধি।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

আকাশে দেবী আগমনের বার্তা: মহালয়ায় ঘরে ঘরে পূজার আমেজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আকাশে দেবী আগমনের বার্তা: মহালয়ায় ঘরে ঘরে পূজার আমেজ

শিউলি ফুলের গন্ধ নিয়ে, মহালয়ার ভোরে, আবার বছর পার করে পুজো এলো ঘুরে.. হোক না আকাশ মেঘে ঢাকা, বৃষ্টি হোক ঝির ঝির,কাশের বোন দিচ্ছে জানান,মা আসছে শিগগিরি!
শুভ মহালয়া!

মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষের সূচনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি।
মির্জাগঞ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে ভোরবেলা থেকেই অনুষ্ঠিত হয় ‘মহিষাসুর মর্দিনী’।
উপজেলার সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরে নানা আয়োজনে পালিত হলো মহালয়া। ছিল চণ্ডীপাঠ, ধর্মীয় গান আর মহিষাসুর বধের পরিবেশনা। আরামঘরের শিল্পীদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠান দেখতে ভোর থেকে ভিড় করেন শিশু থেকে প্রবীণরা।
মহালয়া দেখতে আসা দর্শকরা জানান, শিউলি ফুলের সুবাস, ভোরের কুয়াশা আর সুর—সবকিছু মিলিয়ে মহালয়া যেন এক বিশেষ অনুভূতি। প্রবীণরা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় মহালয়া মানেই ছিল ভোরে সবাই মিলে রেডিওর সামনে বসে ‘মহিষাসুর মর্দিনী’ শোনা। সেই সঙ্গে উঠোনে পড়ে থাকা শিউলি কুড়িয়ে পুষ্পাঞ্জলি প্রস্তুত করা।
পূজা উদ্যোক্তারা জানান, মহালয়াকে ঘিরেই দুর্গোৎসবের মূল আমেজ তৈরি হয়। এদিনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দেবী দুর্গাকে স্বাগত জানানোর পালা। পূজামণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের কাজও শেষ পর্যায়ে, চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা।
মির্জাগঞ্জ পটুয়াখালী প্রতিনিধি।