০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের লামা-আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে

বান্দরবানের লামা-আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান

বান্দরবান জেলার লামা আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জীবিকার্জনের পথরূদ্ধ হয়ে পড়েছে। কাজের অভাবে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে।

দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতি, ব্যাক্তি মালিকানা কাঠ পরিবহন বাজারজাত বন্ধ। ইটভাটা বন্ধ, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কমর্সুচীও নেই। ফলে দিন মজুর মানুষের মধ্যে ত্রাহি অবস্থা বিরাজ করছে।

কয়েকমাস ধরে সরকারের ত্রাণ ও পূর্নবাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপজেলা পর্যায়ে টিআর, কাবিখা-এর বরাদ্দ/ কাজ না থাকায় এ অবস্থা চলছে বলে জানা গেছে।

কাজের অভাবে দিনদিন বেকার হয়ে পড়া এসব মানুষ ক্ষুধা ও দারিদ্রতার কষাঘাতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলাজুড়ে বৃহত্তর পরিসরে কোন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র নেই।

জনবহুল লামা-আলীকদম উপজেলায় শ্রমজীবি মানুষ পাহাড়ে নিজেদের সৃজিত কাঠ, বাঁশ আহরণ ও বিক্রয় করেই জীবিকা নির্বাহ করতো। গত কয়েক মাস যাবৎ বন প্রশাসনের অদক্ষতা কাঠ আহরণ পরিহন বন্ধ হয়ে আছে।

অপরদিকে, পরিবেশ রক্ষা করার নামে শ্রমবান্ধব অনেকগুলো উৎস যেমন ইটভাটা সমুহ বন্ধ ও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারের খাদ্য বান্ধব কাজ (কাজের বিনিময়ে খাদ্য শস্যবরাদ্দ) না থাকায়, এলাকায় বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিগত শতকের ৮০’ র দশক থেকে লামা বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয়। তৎসময় থেকে বৃহত্তর লামা তথা আলীকদম নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে সরকারের ট্রানজিট আইনে ফ্রি জোত পারমিটের মাধ্যমে কাঠ পরিবহন ও বাজার হয়ে আসছে। এই কাঠ কেন্দ্রিক অর্থনীতি এই অঞ্চলে মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি বনের গাছ কর্তনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে লামা বন প্রশাসন জোত পারমিট ইস্যু বন্ধ করে রেখেছেন; এক ধরনের খামখেয়ালিপনা আচরণ। যা রীতিমত ‘উদোর পিন্ডি বুধর ঘাড়ে’
অন্যেরগাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়া।

জানাযায়, লামা বন বিভাগে বর্তমান কর্মকর্তা কর্মজীবনের শেষ সময়টা ঝঞ্ঝাটমুক্ত থাকতে চায়। এ কারণে তিঁনি অনুমোদিত জোতের কাঠ পরিবহনের অনুমতিও দিচ্ছেন না।

এর ফলে স্থানীয় মানুষেরা কাঠ আহরণ ও বিপনন করতে না পারায় বেকার হয়ে অভাবে পড়েছেন। প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল থাকা শ্রমজীবি শত শত পরিবার অর্থকষ্টে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। এ কারণে গ্রামে মহল্লায় চুরি, ডাকাতি ছিনতাই হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ছিছ্কে চুরির ঘটনা অনেকগুন বেড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকমাস ধরে বিভিন্ন গ্রামে প্রতিরাতেই বাসা বাড়ী ও দোকানে চুরি সংঘটিত হচ্ছে। এসব চুরিতে স্থানীয় দরিদ্র ও মাদকাসক্ত বখাটে কতক যুবক নেতৃত্ব দিচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধির সাথে মানুষের আয়ের সঙ্গতি না থাকায় সংকট তীব্র হচ্ছে।

স্বাধীনতাত্তোর লামা উপজেলাসহ দক্ষিণ বান্দরবানে উপযুক্ত পরিবেশ থাকা সত্বেও কোন ধরণের শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হয় নাই। ফলে এতদাঞ্চলের সিংহভাগ মানুষ প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের ওপরই নির্ভরশীল।

বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ব্যতিরেকে শ্রমজীবী মানুষের কাজের সুযোগ বন্ধ করা, ব্যাক্তি মালিকানাধীন বনজসম্পদ আহরণ ও বিক্রি বন্ধ করে দেয়া; দেশের সংবিধান পরিপন্থি।

আলীকদম উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী নামের এক কাঠ শ্রমিক জানান, সে অনেক কষ্টে আছে। বাইশারী, আজিজনগর, রুপসিপাড়া, লামা, ফাইতং, ফাঁসিয়াখালী, সরই, চৈক্ষ্যং, গজালিয়া, সাঙ্গু মৌজা, নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত কাঠ শ্রমিকরা অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন। এমনকি অনেকের চুলায় আগুন পর্যন্ত জ্বলছেনা।

এ ধরণের নীরব দুর্ভিক্ষের চিত্র অতীতে তেমন দেখা যায়নি বলে এলাকার প্রবীণ ও সচেতন লোকজন জানান। বিয়ষটি খুবই উদ্বেগের।

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে মানুষ রাজনৈতিকভাবে চাপমুক্ত হলেও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, অরাজনৈতিক সরকারের বর্তমান প্রশাসকগণ; এলাকায় খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাগবসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন মনে করছেন না।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (প্রশাসক) মোঃ মঈন উদ্দিন এর সাথে আলাপকালে তিঁনি বলেন, ‘সরকারি উন্নয়ন কাজগুলো জনস্বার্থে যেভাবে করার হচ্ছ। মানুষের কর্মসংস্থান নেই এটা সত্য কিন্তু পরিবেশ রক্ষাকল্পে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বেশকিছু ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্ম সূচী চলছে, তবে সরাসরি খাদ্য শস্য বিতরণ হচ্ছে না।
এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘এই সময়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ টানা কর্মসূচী দিয়ে লার্ভা ও মশা নিধন করে মানুষকে সুস্থ্য রাখার উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। কাঠ পরিবহন বন্ধ কেনো সেটা আসলে আমার জানা নেই, বন বিভাগের সাথে আলাপ করে জানতে হবে।’

লামা বন বিভাগের কর্মকর্তার সাথে ফোনে কিংবা সাক্ষাতে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই, কারণ তিঁনি অসুস্থ্য বলে জানাগেছে।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত কয়েক মাসে ডাকাতি মামলার আসামী গ্রেফতার, ডাকাতি হওয়া প্রায় কোটি টাকা, গাড়ি, ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক উদ্ধার, মাদক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে অনেকগুলো, আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে অনেক। এছাড়া চুরি ছিনতাই, ডাতাতি, রোধে পুলিশ রাতদিন কাজ করছেন।’

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মাধ্যমিক পর্যায়ের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকদের ৩৫তম রিফ্রেশার্স কোর্স শুরু

বান্দরবানের লামা-আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বান্দরবানের লামা-আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িতে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে

ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান

বান্দরবান জেলার লামা আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জীবিকার্জনের পথরূদ্ধ হয়ে পড়েছে। কাজের অভাবে শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে।

দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতি, ব্যাক্তি মালিকানা কাঠ পরিবহন বাজারজাত বন্ধ। ইটভাটা বন্ধ, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কমর্সুচীও নেই। ফলে দিন মজুর মানুষের মধ্যে ত্রাহি অবস্থা বিরাজ করছে।

কয়েকমাস ধরে সরকারের ত্রাণ ও পূর্নবাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপজেলা পর্যায়ে টিআর, কাবিখা-এর বরাদ্দ/ কাজ না থাকায় এ অবস্থা চলছে বলে জানা গেছে।

কাজের অভাবে দিনদিন বেকার হয়ে পড়া এসব মানুষ ক্ষুধা ও দারিদ্রতার কষাঘাতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলাজুড়ে বৃহত্তর পরিসরে কোন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র নেই।

জনবহুল লামা-আলীকদম উপজেলায় শ্রমজীবি মানুষ পাহাড়ে নিজেদের সৃজিত কাঠ, বাঁশ আহরণ ও বিক্রয় করেই জীবিকা নির্বাহ করতো। গত কয়েক মাস যাবৎ বন প্রশাসনের অদক্ষতা কাঠ আহরণ পরিহন বন্ধ হয়ে আছে।

অপরদিকে, পরিবেশ রক্ষা করার নামে শ্রমবান্ধব অনেকগুলো উৎস যেমন ইটভাটা সমুহ বন্ধ ও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারের খাদ্য বান্ধব কাজ (কাজের বিনিময়ে খাদ্য শস্যবরাদ্দ) না থাকায়, এলাকায় বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিগত শতকের ৮০’ র দশক থেকে লামা বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয়। তৎসময় থেকে বৃহত্তর লামা তথা আলীকদম নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে সরকারের ট্রানজিট আইনে ফ্রি জোত পারমিটের মাধ্যমে কাঠ পরিবহন ও বাজার হয়ে আসছে। এই কাঠ কেন্দ্রিক অর্থনীতি এই অঞ্চলে মানুষের জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি বনের গাছ কর্তনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে লামা বন প্রশাসন জোত পারমিট ইস্যু বন্ধ করে রেখেছেন; এক ধরনের খামখেয়ালিপনা আচরণ। যা রীতিমত ‘উদোর পিন্ডি বুধর ঘাড়ে’
অন্যেরগাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়া।

জানাযায়, লামা বন বিভাগে বর্তমান কর্মকর্তা কর্মজীবনের শেষ সময়টা ঝঞ্ঝাটমুক্ত থাকতে চায়। এ কারণে তিঁনি অনুমোদিত জোতের কাঠ পরিবহনের অনুমতিও দিচ্ছেন না।

এর ফলে স্থানীয় মানুষেরা কাঠ আহরণ ও বিপনন করতে না পারায় বেকার হয়ে অভাবে পড়েছেন। প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল থাকা শ্রমজীবি শত শত পরিবার অর্থকষ্টে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। এ কারণে গ্রামে মহল্লায় চুরি, ডাকাতি ছিনতাই হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ছিছ্কে চুরির ঘটনা অনেকগুন বেড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকমাস ধরে বিভিন্ন গ্রামে প্রতিরাতেই বাসা বাড়ী ও দোকানে চুরি সংঘটিত হচ্ছে। এসব চুরিতে স্থানীয় দরিদ্র ও মাদকাসক্ত বখাটে কতক যুবক নেতৃত্ব দিচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধির সাথে মানুষের আয়ের সঙ্গতি না থাকায় সংকট তীব্র হচ্ছে।

স্বাধীনতাত্তোর লামা উপজেলাসহ দক্ষিণ বান্দরবানে উপযুক্ত পরিবেশ থাকা সত্বেও কোন ধরণের শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হয় নাই। ফলে এতদাঞ্চলের সিংহভাগ মানুষ প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের ওপরই নির্ভরশীল।

বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ব্যতিরেকে শ্রমজীবী মানুষের কাজের সুযোগ বন্ধ করা, ব্যাক্তি মালিকানাধীন বনজসম্পদ আহরণ ও বিক্রি বন্ধ করে দেয়া; দেশের সংবিধান পরিপন্থি।

আলীকদম উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী নামের এক কাঠ শ্রমিক জানান, সে অনেক কষ্টে আছে। বাইশারী, আজিজনগর, রুপসিপাড়া, লামা, ফাইতং, ফাঁসিয়াখালী, সরই, চৈক্ষ্যং, গজালিয়া, সাঙ্গু মৌজা, নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত কাঠ শ্রমিকরা অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছেন। এমনকি অনেকের চুলায় আগুন পর্যন্ত জ্বলছেনা।

এ ধরণের নীরব দুর্ভিক্ষের চিত্র অতীতে তেমন দেখা যায়নি বলে এলাকার প্রবীণ ও সচেতন লোকজন জানান। বিয়ষটি খুবই উদ্বেগের।

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে মানুষ রাজনৈতিকভাবে চাপমুক্ত হলেও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, অরাজনৈতিক সরকারের বর্তমান প্রশাসকগণ; এলাকায় খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাগবসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন মনে করছেন না।

এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (প্রশাসক) মোঃ মঈন উদ্দিন এর সাথে আলাপকালে তিঁনি বলেন, ‘সরকারি উন্নয়ন কাজগুলো জনস্বার্থে যেভাবে করার হচ্ছ। মানুষের কর্মসংস্থান নেই এটা সত্য কিন্তু পরিবেশ রক্ষাকল্পে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বেশকিছু ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্ম সূচী চলছে, তবে সরাসরি খাদ্য শস্য বিতরণ হচ্ছে না।
এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘এই সময়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ টানা কর্মসূচী দিয়ে লার্ভা ও মশা নিধন করে মানুষকে সুস্থ্য রাখার উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। কাঠ পরিবহন বন্ধ কেনো সেটা আসলে আমার জানা নেই, বন বিভাগের সাথে আলাপ করে জানতে হবে।’

লামা বন বিভাগের কর্মকর্তার সাথে ফোনে কিংবা সাক্ষাতে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই, কারণ তিঁনি অসুস্থ্য বলে জানাগেছে।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত কয়েক মাসে ডাকাতি মামলার আসামী গ্রেফতার, ডাকাতি হওয়া প্রায় কোটি টাকা, গাড়ি, ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক উদ্ধার, মাদক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে অনেকগুলো, আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে অনেক। এছাড়া চুরি ছিনতাই, ডাতাতি, রোধে পুলিশ রাতদিন কাজ করছেন।’