০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোমনায় উচ্ছেদ অভিযান, কয়েক ঘণ্টাতেই আগের চিত্র ফিরে আসার অভিযোগ

হোমনায় উচ্ছেদ অভিযান, কয়েক ঘণ্টাতেই আগের চিত্র ফিরে আসার অভিযোগ

মোঃ আবুল কালাম আজাদ:

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা সদরে যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা।

মঙ্গলবার দুপুরে সরকারি হাসপাতাল রোড, পোস্ট অফিস মোড় ও থানা রোডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আহাম্মেদ মোফাচ্ছের।
এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম মানিক, থানা পুলিশের সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সড়কে নির্মাণসামগ্রী না রাখা এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্মাণসামগ্রী সরাতে সংশ্লিষ্টদের দুই ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জরিমানার কথা জানান প্রশাসন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের বলেন, হাসপাতাল রোড থেকে থানা সড়ক পর্যন্ত যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত যানবাহন, অবৈধ দোকানপাট ও সড়কে রাখা নির্মাণসামগ্রী চিহ্নিত করা হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তবে অভিযান শেষ হওয়ার পর অনেক স্থানে আগের মতো দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, অভিযানের সুফল কতটা স্থায়ী হবে? তাদের দাবি, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি দখলমুক্ত সড়ক ও ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইন মেনে চলতে হবে ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদেরও।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনায় উচ্ছেদ অভিযান, কয়েক ঘণ্টাতেই আগের চিত্র ফিরে আসার অভিযোগ

হোমনায় উচ্ছেদ অভিযান, কয়েক ঘণ্টাতেই আগের চিত্র ফিরে আসার অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:২০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

হোমনায় উচ্ছেদ অভিযান, কয়েক ঘণ্টাতেই আগের চিত্র ফিরে আসার অভিযোগ

মোঃ আবুল কালাম আজাদ:

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা সদরে যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা।

মঙ্গলবার দুপুরে সরকারি হাসপাতাল রোড, পোস্ট অফিস মোড় ও থানা রোডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক আহাম্মেদ মোফাচ্ছের।
এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম মানিক, থানা পুলিশের সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে ফুটপাত ও সড়কের অংশ দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সড়কে নির্মাণসামগ্রী না রাখা এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্মাণসামগ্রী সরাতে সংশ্লিষ্টদের দুই ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জরিমানার কথা জানান প্রশাসন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের বলেন, হাসপাতাল রোড থেকে থানা সড়ক পর্যন্ত যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত যানবাহন, অবৈধ দোকানপাট ও সড়কে রাখা নির্মাণসামগ্রী চিহ্নিত করা হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তবে অভিযান শেষ হওয়ার পর অনেক স্থানে আগের মতো দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, অভিযানের সুফল কতটা স্থায়ী হবে? তাদের দাবি, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি দখলমুক্ত সড়ক ও ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে আইন মেনে চলতে হবে ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদেরও।