০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে স্বাধীনতা প্রদর্শনী ভাঙচুর, জড়িতদের বিচারের দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে স্বাধীনতা প্রদর্শনী ভাঙচুর, জড়িতদের বিচারের দাবি

মস্ত মিয়া,
জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে মহান স্বাধীনতা ও মার্চ মাস উপলক্ষে আয়োজিত “স্বাধীনতা প্রদর্শনী” ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে আয়োজকরা।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা প্রদর্শনীটি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২৬ মার্চ একই প্রদর্শনী থেকে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম সম্বলিত অংশ ছিঁড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক ওমর ফারুক বলেন, “যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে না এবং জাহানারা ইমাম ও শহীদ রুমির মতো ব্যক্তিত্বকে ভয় পায়, তারাই এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।”

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্তীসহ নেতাকর্মীরা। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনায় কাব স্কাউট বেসিক কোর্সে হোমনা তিতাসের এমপি মহোদয়ের সালাম পৌঁছে দিলেন অতিথিরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে স্বাধীনতা প্রদর্শনী ভাঙচুর, জড়িতদের বিচারের দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে স্বাধীনতা প্রদর্শনী ভাঙচুর, জড়িতদের বিচারের দাবি

মস্ত মিয়া,
জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে মহান স্বাধীনতা ও মার্চ মাস উপলক্ষে আয়োজিত “স্বাধীনতা প্রদর্শনী” ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে আয়োজকরা।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ছবি প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা প্রদর্শনীটি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২৬ মার্চ একই প্রদর্শনী থেকে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম সম্বলিত অংশ ছিঁড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক ওমর ফারুক বলেন, “যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে না এবং জাহানারা ইমাম ও শহীদ রুমির মতো ব্যক্তিত্বকে ভয় পায়, তারাই এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।”

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্তীসহ নেতাকর্মীরা। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।