০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার হোমনা থানা হেফাজতে আসামীর আত্মহত্যা

  • নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭৯ জন পড়েছেন

Oplus_131072

হোমনা থানায় হেফাজতে নারী আসামির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি।

কুমিল্লার হোমনা থানা হেফাজতে থাকা হামিদা ওরফে ববিতা (খলিল মিয়ার স্ত্রী) নামে এক নারী আসামির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হোমনা থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে তাকে পাখার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই দিনই তাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল।

থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, যে কক্ষে ওই নারী ছিলেন সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না, তবে কক্ষের দরজায় ক্যামেরা ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে হামিদা তার সতীন কুহিনুর আক্তার (৩৫)–কে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কুহিনুরকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত কুহিনুরের দেবর স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন।

হোমনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল করিম জানান, হামিদার সঙ্গে চার বছরের একটি শিশু থাকায় তাকে নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। যেহেতু ঘটনাটি থানা হেফাজতে ঘটেছে, বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।

ট্যাগ

হোমনায় ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

কুমিল্লার হোমনা থানা হেফাজতে আসামীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

হোমনা থানায় হেফাজতে নারী আসামির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি।

কুমিল্লার হোমনা থানা হেফাজতে থাকা হামিদা ওরফে ববিতা (খলিল মিয়ার স্ত্রী) নামে এক নারী আসামির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হোমনা থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে তাকে পাখার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই দিনই তাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল।

থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। তিনি আরও জানান, যে কক্ষে ওই নারী ছিলেন সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না, তবে কক্ষের দরজায় ক্যামেরা ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে হামিদা তার সতীন কুহিনুর আক্তার (৩৫)–কে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় কুহিনুরকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত কুহিনুরের দেবর স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন।

হোমনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল করিম জানান, হামিদার সঙ্গে চার বছরের একটি শিশু থাকায় তাকে নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। যেহেতু ঘটনাটি থানা হেফাজতে ঘটেছে, বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।