চান্দিনায় বয়স্ক ভাতা প্রদানে দুর্নীতি।

মোঃ আনোয়ার পারভেজ

চান্দিনা, কুমিল্লা।

কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার অন্তরগত ৮ নং বরকইট ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জনাব, তপন ভৌমিক, কম্পিউটার রাকিবুল ইসলাম, এবং উদ্যোক্তা বিল্লাল হোসেন এর কাছে অত্র ইউনিয়নের লোকজন তাদের কাছে জিম্মি। দিনের পর দিন তাদের দুর্নীতি বেড়েই চলছে। তাদের এই দুর্নীতির লাগাম কোন ভাবেই টেনে ধরে রাখা যাচ্ছেনা। তাদের দুর্নীতি দিন দিন বেড়েই চলছে তাদের দুর্নীতি দেখার যেন কেহই নেই। সচিব প্রতি দিন দুপুর ১২টা হইতে ১টায় অফিসে আসেন। যার কারনে ইউনিয়নের সেবা গ্রহন কারি আগত লোকজন বিড়ম্বনায় পরতে হয়। তাছাড়া যে কোন কাজেই সচিব নিয়ম ভঙ্গ করে লোকজনের নিকট থেকে টাকা পয়সা হতিয়ে নিচ্ছেন। জন্ম সনদ, মৃত্তু সনদ, ট্রেড লাইসেন্স বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্ব ভাতা, টিসিবির কার্ড যে কোন কাজে ইউনিয়ন পরিষদে গেলেই টাকা দিতেই হবে। টাকা ছাড়া কোন কাজ করাই অসম্ভব। টাকা দেওয়ার পর ও তাদের পিছনে দিনের পর দিন ধরনা দিতে হয়। তার উপর লোক জনের সাথে খারাপ ব্যবহারতো আছেই।
উক্ত ইউনিয়নেে ০৪ ওয়ার্ডের উঃ শ্রীমন্ত পুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আবদুল খালেক, মাতা মৃত খেতুনি বিবি, পিতা মৃত আবদুস ছোবান তিনি বাংলাদেশ সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে ইস্যূকৃত বই নং ৩৯১ এর মাধ্যমে ২০১৫ইং সাল থেকে ৩০/৯/২০২০ইং পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে বয়স্ক ভাতা ভোগ করে আসছিলেন। কিন্তু তার পর থেকে ভাতা প্রদানের মেন্যুইল বই গুলো অনলাইন করার জন্য সরকারি সরকারি নির্দেশনা আসে। তখন মোঃ আবদুল খালেক এর কাছ থেকে অনলাইন করার কথা বলে ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, এবং নগদ একাউন্ট আছে এমন একটি ফোন নাম্বার ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত লোক সংগ্রহ করে নেন। কিন্তু অনলাইন করার সময় ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত লোকজন মোঃ আবদুল খালেক যে মোবাইল নাম্বারটি দিয়েছিলেন তা ব্যবহার না করে অন্য আরেকটি মোবাইল নাম্বার করেন। অনলাইনে ব্যবহার করা মোবাইল নাম্বারটি হলো ০১৮৭৫৪৬৮৩৬০ যার বাড়ি বরুড়া থানা, নাম অহিদুল। ৩০/৯/২০২০ইং হইতে অদ্যবদি উক্ত নাম্বারে টাকা আসে আর দুর্নীতি বাজরা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রকৃত কার্ডের মালিক মোঃ আবদুল খালেক টাকা পাচ্ছেন না। তিনি বিষয়টি নিয়ে ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ তাজুল ইসলামের সরনাপন্ন হলে মোঃ তাজুল ইসলাম মেম্বার মোঃ আবদুল খালেক কে এই অফিস ঐ অফিস ঘুড়িয়ে পরে বলে সরকার আগের কার্ড বাতিল করে দিয়েছে আপনি আর বয়স্ক ভাতা পাবেনা। এমতাবস্থায় মোঃ আবদুল খালেক উপায় আন্ত না পেয়ে বিষয়টি আমাকে আবগত করেন। আমি আমার অবস্থান থেকে বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জনাব, তপন ভৌমিক এর সাথে আলাপ করি তিনি বলেন এই গুলো অনেক আগের কাজ এখন কোন ডকুমেন্ট আমাদের কাছে নাই। এক পর্যায় তিনি বলেন এই গুলো কম্পিউটার অপারেটর রাকিব করে তার সাথে কথা বলেন তিনি ছুটিতে আছেন। আমি রাকিবুল ইসলামের সাথে তার মোবাইল নাম্বারে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই কাজ গুলো উদ্যোক্তা বিল্লাল হোসেন করেছেন। আপনি তার সাথে কথা বলেন। তিনি আজকে ছুটিতে আছেন। আমি উদ্যোক্তা বিল্লালের মোবাইলে ফোন দিয়ে মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাই। এই বিষয়ে ৮ নং বরকইট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব,নূরে আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নাই। আমি খবঁর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
উক্ত বিষয়টি জন স্বার্থে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে আর কোন আবদুল খালেক প্রতারনা ও দুর্নীতি সিকার না হয়।