বান্দরবানের লামায় ত্রিপুরা শিশুকন্যা ধর্ষণ চেষ্টায় : গ্রেপ্তার ২

ক্রাইম রিপোর্টার বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানের লামায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের নয় বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে লামা থানা পুলিশ ।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর রাতে লামা উপজেলার গজালিয়া এলাকা থেকে তাদের কে আটক করা হয় বলে জানায় পুলিশ। আটককৃতরা হলেন মো. ফরিদ গজালিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের ছেলে।

অপরজন লামা পৌরসভা এলাকার হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা ফয়েজ আহম্মদ (২৩)।

লামা গজালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কাজল হালদার ভুক্তভোগী পরিবারে বরাতে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বড়দিন উপলক্ষে পাড়ার একটি অনুষ্ঠান দেখে রাতে বাড়ী ফেরার পথে ত্রিপুরা এক পরিবার। সেদিন রাতে বাবা-মা এক রুমে, তাদের নয় বছর বয়সি শিশু আরেক রুমে ঘুমায়। সেদিন রাতে দুইটা চল্লিশ থেকে তিনটার দিকে এক যুবক ঘরে ঢুকে শিশুটিকে মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

চিৎকার শুনে শিশুটির বাবা-মা যুবক কে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে পাড়াবাসীরা আরও এক যুবকবে ধরে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযোগে মামলা করেন।

শিশুটির অভিভাবক জানান, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি। রাতে ঘরে ফিরে আমার নির্মাণাধীন একটি সেমিপাকা দুই রুমের মধ্যে এক কক্ষে আমার মেয়ে এবং অন্য কক্ষে আরেক শিশু সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত তিনটার দিকে মেয়ের চিৎকার শুনে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। তখন মেয়ের রুমে গিয়ে ফরিদ নামে একজন হাতেনাতে ধরে ফেলি। আমার মেয়ে বলে তাকে মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তাকে ধরে কারবারিকে খবর দিতে যাওয়ার সময় আমাদেরকে দেখে আরেকজন লোক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও সবাই ধরে ফেলে তার নাম ফয়েজ আহম্মদ।

সে ফরিদকে সহযোগিতা করার জন্য আসছে বলে স্বীকার করে। পরে উত্তেজিত লোকজন তাদেরকে ধরে বেঁধে রাখা হয়।

পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আটক করে নিয়ে যায়।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে আটক আসামিদের বান্দরবানে মুখ্য হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।