লোহাগাড়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে কর্মচারী নেই দরজায় তালা
নুরুল আমিন লোহাগাডা চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সরকারি ভবন ও সাইকোলজি যন্ত্রপাতি সবকিছু পরিপূর্ণ থাকার পর ও সেবা থেকে বঞ্চিত হতদরিদ্র এলাকার অসহায় মানুষ,তবে উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক যত স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছেন তা দেখবাল করার সম্পূর্ণ দায় দায়িত্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের,আওতায় পড়ে, অথচ তারাএই ব্যাপারে বিহিত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কোন মন মানসিকতা ও নাই মনে করেছেন সচেতন ব্যক্তিরা।
গণমাধ্যম কর্মীর তবে তথ্য অনুসন্ধানে এমন চিত্র পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম লোহাগাড়ার অধিকাংশ ইউনিয়নের সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের। সুত্রে মতে, গত ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর বারটার দিকে উপজেলা পদুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পাড়া এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দেখা যায় চিকিৎসা সেবা আসা রোগীর ভীড় যার সংখ্যা হনুমানিক ৩০থেকে ৪০জন কিন্তু সেবা দানকারী কোন কর্মকর্তার উপস্থিতি না দেখে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের অসহায়িত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায।
এই খবর পুরো এলাকা জুড়ে জানাজানি হলে তৎক্ষণিক আরেো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত হয়, উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা সেবা নিতে আস রোগীদের কাছে পুরো বিষয় টি জানতে চাইলে তারা বলেন অনেকদিন ধরে এই কেন্দ্রে সেবা বঞ্চিত তারা, এরা আরো বলেন এই কেন্দ্রে অনেকদিন যাবত কোন সেবা দান কর্মকর্তা আসে না আমরা কষ্ট করে এসে ৩/৪ঘন্টা অপেক্ষা করার পর ব্যর্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। আবুল হাসান নামের এক বয়স্ক রোগী গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন তিনি এক সপ্তা যাবত ফ্রী চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১২পর্যন্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সময় কাটান কিন্তু ঝুলানো তালা টা ও কেউ খুলতে আসেনা।
এদিকে রাবেয়া বসরী নামে বৃদ্ধা মহিলা জানান, তার কোন ছেলে মেয়ে নেই, কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা জ্বরে ভোগছে কিন্তু নিজ এলাকায় এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও ওষুধ দেওয়ার মতো কাউকে দেখছি না।তবে তার অসহায় অবস্থা দেখে উপস্থিতি বৃন্দরা মনে করেন সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীরা পাষাণীয় তার পরিচয় দিচ্ছেন তাদেরকে মানবিক চিন্তা করা দরকার বলে মনে করেন সবাই।
আরেক যুবতী মহিলা বলেন, বিগত পনের দিন ধরে এই হাসপাতালে সকাল হতে এসে অপেক্ষা করে কারো দেখা না পেয়ে চলে যায়। আবার অনেক রোগীরা রাগান্বিত হয়ে গালমন্দ করে ফিরে যায়, কারন সেবা দিতে ব্যর্থ হলে এই কেন্দ্রে রাখা প্রয়োজন নাই মনে করেন তারা।
এই বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টি এইচ ডাক্তার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বদলী হওয়ার জনিত টাইফয়েড ক্যাম্পিং বাস্তবায়নে এবং জনবল সংকটের কারেণে এমন টা হচ্ছে, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেকে জানানো হয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডাক্তার মোঃ ফজলে রাব্বি জানান, দ্রুত সময়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।