নাট্যজন মুন্সী মুহাম্মাদ আলী রুমি স্মরণে নাট্যোৎসব ২০২৫
এস এম আলমগীর হুসাইন স্টাফ রিপোর্টার মাদারীপুর (ফরিদপুর থেকে ফিরে)
ফরিদপুরের কবি জসিম উদ্দিন অডিটোরিয়ামে ১৯ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন হলো নাট্যজন মুন্সী মুহাম্মাদ আলী রুমির স্মরণে দুই দিনব্যাপী নাট্যোৎসব। আয়োজন করে ‘বিনোদন নাট্যদল’। অনুষ্ঠানে রুমি ভাইয়ের জীবনের নানা দিক স্মরণ করা হয় এবং তাঁর নাট্যকর্ম ও সাংস্কৃতিক অবদানের কথা উঠে আসে আবেগমাখা পরিবেশে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার মিলন ভাই, নাট্য নির্মাতা প্রযোজক , কন্ঠ শিল্পী প্রযোজক ও অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু, নাট্য সংগঠক মঙ্গলনাট রাজবাড়ী, সংগীতশিল্পী শিপ্রা গোস্বামী, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আলতাফ, সাংবাদিক মফিজ ইমাম মিলন, নাট্যকার ম. নিজাম, অভিনেতা মেহেদী মিঠু, আবৃত্তিশিল্পী জাহিদ, রুমি ভাইয়ের সহধর্মিণী লায়লা আক্তার ও একমাত্র কন্যা তারান্নুম প্রানা।
এছাড়াও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রিসালাত আপা, নন্দিতা দিদি এবং বিনোদন নাট্যদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফ খান উপস্থিত থেকে রুমির স্মৃতিকে আরও জীবন্ত করে তুলেছেন।
বিশিষ্ট অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “রুমি ভাই আমার গুরু। অভিনয়ের হাতে খড়ি আমাকে তিনি দিয়েছেন। আজও তাঁর শাসন, তাঁর স্নেহ, তাঁর পথনির্দেশনা আমাকে পথ দেখায়।”
মুন্সী মুহাম্মাদ আলী রুমি শুধু একজন নাট্যজন নন, ছিলেন শিল্প-সাহিত্যের অগ্নিশিখা। তাঁর স্মরণোৎসব ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক গভীর আবেগ ও গৌরবের মুহূর্ত হয়ে উঠল।
এই বিশেষ আয়োজনে উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত ছিল নাফিজ ইসলামের দুটি আলোকচিত্র প্যারিসের লুভ্য মিউজিয়ামে স্থান পাওয়ার ঘোষণা। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “তন্ময় সরকার অঞ্চল দাদা এবং বিনোদন নাট্যদলের প্রতিটি সদস্যের অবিরাম প্রচেষ্টা, নিবেদন আর ভালোবাসা ছাড়া এ সম্মান সম্ভব হতো না। ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীদের সঙ্গ আমার পথচলাকে সমৃদ্ধ করেছে, অর্থবহ করেছে।”