শিক্ষক লোন ফাঁদ “কারসাজিতে ফেঁসে ” গেলেন সোনালী ব্যাংক দূর্গাপুর শাখার ম্যানেজার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাজশাহী :

শিক্ষক লোন/ঋন দীর্ঘ দিন যাবত চলমান। বেসরকারি স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীরা স্বল্প সুদে সোনালী ব্যাংক দূর্গাপুর শাখা থেকে ঋন গ্রহন করে। মাসিক কিস্তিতে তারা ঋন পরিশোধ করে। বিপত্তি শুরু ডিসেম্বর ২০২৪ সালে মাসিক কিস্তি বেতন হতে ব্যাংক কর্তন করে না। অনেক ঋন গ্রহিতা শিক্ষক কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে বলে জানা যায়, তারা ঋনের পরিশোধের জন্য শাখায় যোগাযোগ করে। কিন্তু সফটওয়্যার আপডেট/ স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় ঋন পরিশোধ সিস্টেমের দোহায় দিয়ে ঋনের টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এভাবে তারা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত লোনের টাকা গ্রহন করে না। মার্চ মাস হতে বকেয়া শর্ত দিয়ে বেতন জমা হওয়া মাত্রই সমুদয় বেতন কর্তন করতে থাকে এবং বকেয়া পরিশোধের নোটিশ প্রদান করতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষক কর্মচারীরা বেকায়দায় পড়ে যায়। অনেকে জমি জায়গায় বিক্রি/ এনজিও হতে চড়া সুদে ঋন নিয়ে মামলার ভয়ে লোন পরিশোধ করে। বেসরকারি কলেজের একজন প্রভাষক, তার ব্যাংক লোন স্টেটমেন্ট ১৯/৫/২৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী বকেয়া লোন ২৯৪২০/ টাকা। কিন্তু ১৭/৯/২৫ ইং লোন স্টেটমেন্ট অনুযায়ী লোন বাবদ কর্তন ১৩০৯৬৯/ টাকা। অতিরিক্ত টাকা কেন কর্তন করা হল – স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ত্রুটি বলে ম্যানেজার এড়িয়ে যান। বেতন হতে টাকা কর্তন করে ফেরত দিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করার ঘটনাও ঘটেছে। নিজের প্রমোশনের জন্য নিষ্পাপ শিক্ষকের টাকা আত্মসাৎ মোটেই কাম্য নয়। একজন শিক্ষক বলেন, ম্যানেজারের আর্থিক অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহনের অনেক তথ্য প্রমান তার নিকট রয়েছে,- তিনি আদালতে মামলা করবেন।