গোলমুন্ডা ইউনিয়নে নাড্ডা
পাড়ার রাস্তার বেহাল দশা।

মোঃ জামিয়ার রহমান,
নিলফামারী

জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের নাড্ডা পাড়ার রাস্তা আজ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে সেখানে চলাচলই দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রাস্তাটা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ থেকে ২ লাক্ষ মানুষ যাতায়াত করে—গোলমুন্ডা থেকে নাড্ডা পাড়া, বানিয়া পাড়া, চারয়ানি, নেকবক্ত বাজার, শৌলমারী বাজার, কৈমারী বাজার পর্যন্ত।
প্রায় ২ থেকে ৩ মাস আগে এলাকাবাসী যখন ২০–২৫টি গাড়ি আটকে দেয়, তখন আমাদের গোলমুন্ডা ইউনিয়নের সাবেক দুর্নীতিমুক্ত সফল চেয়ারম্যান এবং গোলমুন্ডা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা তোজাম্মেল হোসাইন এসে এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি মানুষকে বুঝিয়ে এবং গাড়ির মালিকদের দায়িত্বশীলতার আওতায় এনে রাস্তা মেরামত করিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেই রাস্তা আবারও নষ্ট করে ফেলেছে ওই গাড়িগুলো।
এখন আবার যখন এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে গাড়িকে থামিয়ে রাস্তা মেরামতের দাবি জানায়, তখন হঠাৎ কিছু “সুশীল” নেতা সাজিয়ে এসে এলাকার মানুষের বিপক্ষে দাঁড়ায় এবং গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে!
এখন প্রশ্ন হলো—
আপনারা যে নেতা হয়ে এসেছেন, কেন আপনাদের লাগে না এই রাস্তাটা? পুরা গোলমুন্ডা ইউনিয়নের মানুষের এই রাস্তাটার প্রয়োজন আছে, আপনারা সেটা কেন বুঝতে চান না?
রাস্তা নষ্ট করা গাড়ির মালিকদের দায়িত্ব কেন চাপা দেওয়া হবে ?
জনগণের ন্যায্য দাবিকে অস্বীকার করে এই তথাকথিত নেতারা আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে?
নেতাদের বলা দরকার:
“জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে গাড়িওয়ালাদের দালালি করলে, জনগণ আপনাদের মুখোশ খুলে দেবে।”

“রাস্তা নষ্ট করলে মেরামত করতে হবে—এটা কোনো দয়া নয়, এটা দায়িত্ব।”
করা দরকার:
ঐক্যবদ্ধ থেকে ন্যায্য অধিকার আদায় করা।
সোচ্চার হয়ে সামাজিক মাধ্যমে, প্রশাসনের কাছে এবং মাঠে এই অন্যায়ের জবাব দেওয়া।
যারা জনগণের বিপক্ষে যাবে, তাদের আসল চেহারা সবার সামনে তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ।
নাড্ডা পাড়ার রাস্তায় দাঁড়িয়ে আজ একটাই কথা—
“জনগণের কষ্ট নিয়ে যারা খেলা করে, তাদের কোনো নামই থাকবে না, থাকবে শুধু অভিশাপ।
নাড্ডা পাড়ার মানুষের মনের কথা আশা করি বুঝতে পারছেন ধন্যবাদ।
জেলা প্রশাসকের, উপজেলা প্রশাসকের এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।