০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ান কাওসারের

মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ান কাওসারের

মোঃ আবুল কালাম আজাদ:

কুমিল্লার হোমনায় কৃষ্ণপুর-কাশিপুর সড়কে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় দড়ি ভাষানিয়া গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান কাওসার হোসেন নিহত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার ২৮মার্চ কৃষ্ণপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কাওসার।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত কাওসার ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে তিনি তার পরিবারের ভরণপোষণ করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে তিনি রেখে গেছেন তিনটি অবুঝ সন্তান, যা এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই দুর্ঘটনার জন্য দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল ও সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতিকে দায়ী করছেন।

পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়কটিতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগ

অধূমপায়ী ফোরামের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ান কাওসারের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:২২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ান কাওসারের

মোঃ আবুল কালাম আজাদ:

কুমিল্লার হোমনায় কৃষ্ণপুর-কাশিপুর সড়কে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় দড়ি ভাষানিয়া গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান কাওসার হোসেন নিহত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার ২৮মার্চ কৃষ্ণপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কাওসার।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত কাওসার ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে তিনি তার পরিবারের ভরণপোষণ করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে তিনি রেখে গেছেন তিনটি অবুঝ সন্তান, যা এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই দুর্ঘটনার জন্য দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল ও সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতিকে দায়ী করছেন।

পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়কটিতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।